মুগলির মত নয়, হয়ত পরিবারই ফেলে গেয়িছিল জঙ্গলে কুড়িয়ে পাওয়া মেয়েটিকে

https://youtu.be/NGgv17AiY6k

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা এখন বলছে, “মুগলি খ্যাত যে মেয়েটিকে উত্তর প্রদেশের জঙ্গলে পাওয়া গেছে তাকে হয়ত তার পরিবারই ফেলে গিয়েছিল।”

প্রথমে বলা হয়েছিল, উত্তর প্রদেশের একটি ন্যাচারাল রিজার্ভ ফরেস্টে বানরের সাথে বসবাসরত একটি মেয়েকে পাওয়া গিয়েছে, যে চার হাত পায়ে চলে এবং বানরের মত ডাকে।

একজন ফরেস্ট রেঞ্জার এসোসিয়েটেড প্রেসকে বলেন, “মেয়েটিকে যখন পাওয়া গিয়েছিল তখন সে বানরগুলো সাথে স্বাচ্ছ্যন্দে খেলছিল। এমনকি আমরা যখন মেয়েটিকে উদ্ধার করতে গিয়েছি বানরেরা আমাদের তাড়া করেছিল।

তবে ফরেস্ট অফিসারেরা নিশ্চিত করেছেন যে এটি এমন এক বন যেখানে নিয়মিত পুলিশ পেট্রল থাকে, ক্যামেরা দ্বারা মনিটর করা হয়, তাই এরকম করে কারো দীর্ঘদিন এ জঙ্গলে হারিয়ে থাকা সম্ভব নয়।

ভারতীয় কর্তৃপক্ষ এখন জোর দিয়ে মনে করছে সম্ভবত মেয়েটিকে তার পরিবারই ফেলে এসেছে যেহেতু মেয়েটি প্রতিবন্ধী। ড. সিং, যার তত্ত্বাবধানে মেয়েটি এখন চিকিৎসাধীন রয়েছে, গাডিয়ান পত্রিকাকে বলেন, “ইন্ডিয়াতে মেয়ে শিশুদের অপছন্দ করার একটি সংস্কৃতি বিভিন্ন এলাকাতে প্রবলভাবে রয়েছে, তার উপর মেয়েটি যেহেতু প্রতিবন্ধী সেক্ষেত্রে পরিবার মেয়েটি ফেলে গিয়েছে এরকম ধারণার স্বপক্ষে প্রমাণ পাওয়া যেতে পারে।

মেয়েটি এখন সোজা হয়ে দাঁড়াতে পারে এবং স্বাভাবিক খাবারও গ্রহণ করতে পারছে। দীর্ঘদিন জঙ্গলে থাকলে এরকম অভ্যেস এত সহজে সে আয়ত্ব করতে পারত না বলে সংশ্লিষ্ট চিকিৎসকেরা মনে করছেন।

ড. সিং বলেন, “সে এখনো কথা বলতে পারে না। তবে কিছু বললে বুঝতে পারে, এমনকি হাসেও।”

ভারতের পুলিশ মেয়েটির পরিবারকে খুঁজছে, তবে এখনো কাউকে পাওয়া যায়নি।

# প্রতিবেদনটি দ্যা ইনডেপেনডেন্ট এং গার্ডিয়ান পত্রিকার অবলম্বনে তৈরি করা হয়েছে।