ফেক রোগী, সেবা বঞ্চনা, মৃত বা চলে যাওয়া রোগীকেও “ভর্তি” দেখানোর অভিযোগ।তদন্ত দাবি সচেতন মহলের।
খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালকে ঘিরে উঠেছে গুরুতর দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ রয়েছে, একটি প্রভাবশালী চক্র দীর্ঘদিন ধরে ভুয়া রোগী দেখিয়ে এবং বাস্তব রোগীদের প্রাপ্য সেবা না দিয়ে বিপুল পরিমাণ অর্থ আত্মসাৎ করছে।
স্থানীয় সূত্র ও ভুক্তভোগীদের অভিযোগ অনুযায়ী—
-
হাসপাতালের বিভিন্ন ওয়ার্ডে ফেক রোগী ভর্তি দেখানো হয়, যাদের বাস্তবে অস্তিত্ব নেই।
-
প্রকৃত রোগীদের জন্য বরাদ্দকৃত ওষুধ, খাবার ও অন্যান্য সুবিধা সম্পূর্ণ বা আংশিকভাবে দেওয়া হয় না।
-
রোগী সুস্থ হয়ে চলে গেলেও বা অন্যত্র স্থানান্তর হলেও, কাগজে-কলমে তাকে ভর্তি দেখিয়ে রাখা হয় দীর্ঘ সময়।
-
এইভাবে প্রতিদিন বিপুল পরিমাণ সরকারি বরাদ্দ অপব্যবহার ও আত্মসাৎ করা হচ্ছে।
একাধিক সূত্র দাবি করছে, এই অনিয়মের মাধ্যমে প্রতিদিন লাখ লাখ টাকা এবং দীর্ঘমেয়াদে কোটি কোটি টাকার বেশি অর্থ লোপাট হচ্ছে।
এর আগে এই হাসপাতালকে ঘিরে বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ সামনে এসেছে। যেমন, মর্গে মরদেহ ছাড়াতে টাকা নেওয়া এবং হাসপাতালভিত্তিক বাণিজ্যের অভিযোগও উঠে এসেছে বিভিন্ন প্রতিবেদনে ।
⚠️ ভুক্তভোগীদের অভিযোগ
কয়েকজন রোগীর স্বজন বলেন,
“সরকারি হাসপাতালে ভর্তি থাকলেও অনেক ওষুধ বাইরে থেকে কিনতে হয়। খাবারও ঠিকমতো পাওয়া যায় না।”
🗣️ কর্তৃপক্ষের বক্তব্য
এ বিষয়ে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে অভিযোগগুলো অস্বীকার করে তদন্তের দাবি জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
📢 দাবি
সচেতন মহল মনে করছে—
-
অবিলম্বে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ও দুদকের তদন্ত প্রয়োজন।
-
ডিজিটাল রোগী ব্যবস্থাপনা চালু করা জরুরি।
-
দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।
