⚠️ আইনি প্রক্রিয়ার বাইরে ‘ডিল’ করার চেষ্টা—নিরপেক্ষ তদন্তের জোর দাবি।
কাস্টমস্ সংক্রান্ত একটি মামলার পর দেশের তামাক শিল্পের একটি পরিচিত প্রতিষ্ঠান গোপাল বিড়িকে ঘিরে গুরুতর অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ অনুযায়ী, নিয়মিত ঘুষের বাইরেও সংশ্লিষ্ট কাস্টমস কর্মকর্তাদের সঙ্গে সমঝোতায় পৌঁছাতে মোটা অংকের অর্থ লেনদেন করা হয়েছে বলে অনুসন্ধানে জানা যাচ্ছে।
একাধিক সূত্রের দাবি, মামলার আনুষ্ঠানিক আইনি প্রক্রিয়ার পাশাপাশি অনানুষ্ঠানিক বা ‘অফ-দ্য-রেকর্ড’ যোগাযোগের মাধ্যমে বিষয়টি নিষ্পত্তির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এতে করে স্বচ্ছ তদন্ত প্রক্রিয়া বাধাগ্রস্ত হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা। তবে এ সংক্রান্ত কোনো আনুষ্ঠানিক নথি বা প্রমাণ এখনো প্রকাশ্যে আসেনি। খুলনা সার্কেল-১-এ রাজস্ব কর্মকর্তা নাদিম আহমেদ থাকাকালীন একটি বড় লেনদেন হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানাচ্ছে।
এ বিষয়ে কাস্টমস বিভাগের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বক্তব্য জানতে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক মন্তব্য পাওয়া যায়নি। ফলে অভিযোগগুলো এখনো যাচাইয়ের পর্যায়েই রয়েছে।
💰 ভ্যাট প্রসঙ্গ
গোপাল বিড়ি প্রতি মাসে ঠিক কত পরিমাণ ভ্যাট (VAT) প্রদান করে—এ সংক্রান্ত নির্ভরযোগ্য ও সর্বশেষ তথ্য প্রকাশ্যে সহজলভ্য নয়। তবে তামাকজাত পণ্যের ওপর উচ্চ হারে ভ্যাট ও শুল্ক আরোপ থাকায় এই খাত থেকে সরকার উল্লেখযোগ্য রাজস্ব পেয়ে থাকে বলে জানা গেছে।
⚖️ মন্তব্য
বিশেষজ্ঞদের মতে, অভিযোগগুলো সত্য প্রমাণিত হলে তা শুধু একটি প্রতিষ্ঠানের অনিয়ম নয়, বরং সামগ্রিক রাজস্ব ব্যবস্থাপনা, প্রশাসনিক স্বচ্ছতা এবং সুশাসনের ওপর বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে।
📢 দাবি
সংশ্লিষ্ট মহল দ্রুত, নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছ তদন্তের দাবি জানিয়েছে, যাতে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটিত হয় এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।
