পাকিস্তানের কাছে বাংলাদেশের গচ্ছিত পাওনার একটি সংক্ষিপ্ত হিসাব।
বাংলাদেশ পাকিস্তানের কাছ থেকে প্রায় ৪.৫২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার পাওনা দাবি করছে, যা স্বাধীনতার (১৯৭১ সালের) আগে অবিভক্ত পাকিস্তানের সম্পদ— যেমন প্রভিডেন্ট ফান্ড, সঞ্চয়পত্র, সরকারি তহবিল এবং ১৯৭০ সালের ভোলা ঘূর্ণিঝড়ের পর পূর্ব পাকিস্তানে পৌঁছানোর জন্য ২০০ মিলিয়ন ডলার বিদেশী সাহায্য সংক্রান্ত হিসাবের ভিত্তিতে নির্ধারিত।
২০২০ সালের আইএমএফ-এর তথ্যানুযায়ী পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের অর্থনীতির তুলনামূলক আলোচনা।
সম্প্রতি দাবি এসেছে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র সচিব এম. জসীম উদ্দিনের মাধ্যমে, যা তুলে ধরা হয়েছে দুই দেশের ১৫ বছর পর পররাষ্ট্র সচিব পর্যায়ে অনুষ্ঠিত প্রথম বৈঠকে। ঐ দাবির মধ্যে পাকিস্তানের কাছ থেকে আনুষ্ঠানিক ক্ষমা প্রার্থনা করার অনুরোধও রয়েছে।
বাংলাদেশি সংবাদ মাধ্যম, যেমন দৈনিক জনকণ্ঠ, এবং অন্যান্য গণমাধ্যম একটি হিসাবও তুলে ধরে, যেখানে উল্লেখ করা হয়েছে সুদের (৬% বার্ষিক) হিসাব অনুযায়ী সেই প্রাপ্য অর্থ আজ প্রায় ৯৪.৩৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার এবং বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ১১ লাখ ৩২ হাজার ৩৬ কোটি টাকা।
সংক্ষিপ্তঃ
তৎকালীন হিসাব অনুসারে বাংলাদেশ পাকিস্তানের কাছে দাবি করছে ৪.৫২ বিলিয়ন ইউএস ডলার (অন্তর্ভুক্ত: অবিভক্ত পাকিস্তানের সম্পদ, প্রভিডেন্ট ফান্ড, বিদেশি অনুদান ইত্যাদি)।
সুদসহ বর্তমান মূল্যায়নে প্রায় ৯৪.৩৪ বিলিয়ন ইউএস ডলার বা প্রায় ১১ লাখ কোটি টাকা।
এ হিসাবের বাইরে ক্ষতিপূরণের একটি বড় হিসাব রয়েছে— যুদ্ধের সময় পশ্চিম পাকিস্তান ঘোষিত বাংলাদেশের যে ক্ষয়ক্ষতি করেছিলো, সে হিসেবটি কখনো করাই হয়নি।