ফলোআপ নিউজ-এর শেয়ার হওয়ার নিয়ম এবং সুযোগ সুবিধা

ফলোআপ নিউজ একটি প্রতিশ্রতিশীল অনলাইন পত্রিকা। বিবিধ অঙ্গিকার নিয়ে ২০১৪ সালে পত্রিকাটি পথচলা শুরু করে। ২০২৪ সাল থেকে নতুন আঙ্গিকে অগ্রগামী হয় পত্রিকাটি। কিউ এন্ড সি-এর মিডিয়া পার্টনার হিসেবে পত্রিকাটির গবেষণা এবং গবেষণাধর্মী প্রতিবেদনে বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। ২০২৫ সাল থেকে আরো বৃহত্তর পরিসরে কাজ করার জন্য পত্রিকা এবং গবেষণা প্রতিষ্ঠানটি অংশীদারী কোম্পানি হিসেবে চলার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। একইসাথে একটি আইটি কোম্পানি হিসেবে পত্রিকাটি আইটি সম্পর্কিত নতুন নতুন উদ্ভাবনেও তৎপর।

ফলোআপ নিউজ-এর শেয়ার হওয়ার নিয়মঃ

১. ৫০ হাজার অথবা এর গুণিতক পরিমাণ টাকা এককালীন দিয়ে শেয়ার হওয়া যাবে।

২. ৫ হাজার অথবা এর গুণিতক পরিমাণ টাকা প্রতি মাসে দিয়ে ১২ মাসের কিস্তিতে শেয়ার হওয়া যাবে।

৩. ২ হাজার ৬০০ টাকা অথবা এর গুণিতক পরিমাণ টাকা প্রতি মাসে দিয়ে ৩০ মাসের কিস্তিতে শেয়ার হওয়া যাবে।

৪. ১ হাজার ৫০০ অথবা এর গুণিতক পরিমাণ টাকা প্রতি মাসে দিয়ে ৬৬ মাসের কিস্তিতে শেয়ার হওয়া যাবে।

৫. ১ হাজার টাকা করে ৬০ মাস দিয়ে শেয়ার নিশ্চিত করে বাকি টাকা পরবর্তী ২৪ মাসের মধ্যে এককালীন দিয়ে শেয়ার হওয়া যাবে।

পাঁচটি কিস্তি জমা হলেই শেয়ারহোল্ডার হিসেবে কার্ড পাওয়া যাবে।

ফলোআপ নিউজ একটি প্রতিশ্রুতিশীল অনলাইন পত্রিকা এবং আইটি ফার্ম। কিউ এন্ড সি রিসার্চ (Q&C Research) নামে ফলোআপ নিউজ-এর একটি রিসার্চ উইং রয়েছে। ফলোআপ নিউজ-এর শিশুদের নিয়ে একটি সামাজিক-মানবিক প্লাটফর্ম রয়েছে, যেটি #REcNU নামে পরিচালিত হয়।

ফলোআপ নিউজ অনলাইন পত্রিকা এবং আইটি ফার্মের শেয়ার কিনলে যে সকল সুবিধা রয়েছেঃ

১. বিভিন্ন পেশার সমন্বয়ে গঠিত পরিচালনা পর্ষদের আপনিও একজন সম্মানিত সদস্য;
২. যত ছোট শেয়ারই হোক আপনিও প্রতিষ্ঠানের স্বত্বাধিকারী হিসেবে গণ্য হবেন;
৩. পত্রিকার ওপর ভর করে, এবং পারস্পরিক সহযোগিতায় জীবনের সমস্যাগুলো সমাধান করা যাবে সহজে;
৪. মালিকপক্ষের কেউ দুরারোগ্য ব্যধিতে আক্রান্ত হলে পত্রিকা চিকিৎসা এবং চিকিৎসার খরচ যোগাতে অগ্রণী ভূমিকা পালন করবে;
৫. নিচের পরিচয়পত্রটির মতো একটি পরিচয়পত্র পাবেন;
৬. প্রতি বছর আপনার শেয়ার বাড়বে;
৭. পত্রিকার পক্ষ থেকে মালিকপক্ষের জন্য প্রতি বছর দু’টো ফ্রি ট্যুরের ব্যবস্থা রয়েছে;
৮. কারো পরিবারে বিশেষ শিশু থাকলে পত্রিকার সহ-প্রতিষ্ঠান রেনু (REcNU) দায়িত্ব নেবে;
৯. পত্রিকাটি ‘থিংক ইন্টারন্যাশনাল’ নামে একটি প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। প্রতিষ্ঠানটি থেকে বিদেশে পড়াশুনা এবং কাজ যোগাতে ভূমিকা রাখা হবে।
১০. তিন বছর পর থেকে শেয়ারহোল্ডারদের মধ্যে লভ্যাংশ বন্টন করা হবে।

এছাড়াও আরো অনেক ধরনের সুযোগ সুবিধা রয়েছে।