ডুমুরিয়া সাব-রেজিস্টার অফিস যেন দলিল লেখক ফারুখ খান-এর করদ রাজ্যে পরিণত হয়েছে—এমন অভিযোগ স্থানীয়দের। অভিযোগ অনুযায়ী, ডুমুরিয়ার বর্তমান সাব-রেজিস্টার নাহিদুজ্জামান-এর সঙ্গে তার দহরম-মহরম সম্পর্ক রয়েছে; এমনকি পারস্পরিক বোঝাপড়ার মাত্রা এমন যে, তারা “এক প্লেটে ভাত খান” বলেও এলাকায় প্রবাদ হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলোর দাবি, তাদের মধ্যে ভাগাভাগির বিষয়টি একেবারেই ‘পরিষ্কার’।
অভিযোগে আরো বলা হয়, ডুমুরিয়া সাব-রেজিস্টার অফিসে কোনো দলিল সম্পন্ন হলেই উপজেলা দলিল লেখক সমিতির সভাপতি ফারুখ খানের একটি নির্দিষ্ট অংশ থাকে। বিনিময়ে তিনি সাব-রেজিস্টার নাহিদুজ্জামানকে ‘পাহারা’ দিয়ে রাখেন। যাতে নাহিদুজ্জামান নির্বিঘ্নে অর্থ উপার্জন করতে পারেন এবং নিজের অংশ ঠিকঠাক বজায় থাকে—সে লক্ষ্যেই সাব-রেজিস্টার অফিস ঘিরে ফারুখ খান একটি সংঘবদ্ধ মব তৈরি করে রেখেছেন বলে অভিযোগ।
এই মবই সম্প্রতি FollowUp News এবং Q & C Research-এর দু’জন গবেষক সাংবাদিকের ওপর হামলার পরিস্থিতি সৃষ্টি করেছিল—নিচের ভিডিও ডকুমেন্টারিতে বিষয়টি পরিষ্কার।
ভাষ্য অনুযায়ী, ফারুখ খান নিজেই স্বীকার করেছেন যে, তিনি পূর্বের সাব-রেজিস্টার অঞ্জু দাস-কেও সবসময় চাপে রাখতেন।
এতে জনমনে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন উঠেছে—একজন দলিল লেখকের দায়িত্ব তো দলিল লেখা পর্যন্তই সীমাবদ্ধ থাকার কথা; তাহলে কীভাবে তিনি ডুমুরিয়ায় কার্যত ডি-ফ্যাক্টো সাব-রেজিস্টারে পরিণত হলেন?
