স্বর্ণ বন্দক রেখে সুদে টাকা লাগানোই তার মূল ব্যবসা। ফলোআপ নিউজকে তিনি জানিয়েছেন— নিয়ম মেনেই তিনি বন্দকী ব্যবসা পরিচালনা করছেন। তবে স্বর্ণ বন্দক রেখে টাকা নিয়েছেন এরকম অনেকে বিষয়টি নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন। অনেকে বলেছেন, মানুষের প্রয়োজনকে পুঁজি করেই এ ব্যবসা পরিচালিত হচ্ছে, তবে সুদের হার অস্বাভাবিক। অন্য অনেকের মতো অজয় বকশীও বন্দকী ব্যবসার জন্য ডিসি লাইসেন্স ব্যবহার করেন বলে জানালেন। আসলে কি এ লাইসেন্স বন্দকী ব্যবসার অনুমতি দেয়?
খুলনা জেলা জুয়েলারি সমিতির যুগ্ম সম্পাদক এসকে শওকাত আলী বলেন, বন্দকী ব্যবসা অনুমোদিত। এটা আছে বলেই মানুষ টাকা নিয়ে তাৎক্ষণিক প্রয়োজন মেটাতে পারছে।