বন্দকী ব্যবসায় বাজিমাত

ভারতের নাগরিকত্ব এবং ভারতে বাড়ি থাকার অভিযোগ ওঠা স্বর্ণ ব্যবসায়ী অজয় কুমার বকশী স্বীকার করেছেন স্বর্ণ বিক্রি তার মূল ব্যবসা নয়। ভ্যাট অফিসের তথ্যও তাই বলছে— সর্বসাকূল্যে তিনি এক ভরি স্বর্ণ বিক্রির ভ্যাটও প্রতি মাসে দেন না। অতএব, অজয় বকশীর দোকানে স্বর্ণ বেঁচা বিক্রি নেই ধরে নিতে হবে। তাহলে তার মূল ব্যবসা কী?

বাগেরহাট জুয়েলার্স। বন্দকী ব্যবসায় প্রধানত নারীরাই ক্রেতা।

স্বর্ণ বন্দক রেখে সুদে টাকা লাগানোই তার মূল ব্যবসা। ফলোআপ নিউজকে তিনি জানিয়েছেন— নিয়ম মেনেই তিনি বন্দকী ব্যবসা পরিচালনা করছেন। তবে স্বর্ণ বন্দক রেখে টাকা নিয়েছেন এরকম অনেকে বিষয়টি নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন। অনেকে বলেছেন, মানুষের প্রয়োজনকে পুঁজি করেই এ ব্যবসা পরিচালিত হচ্ছে, তবে সুদের হার অস্বাভাবিক। অন্য অনেকের মতো অজয় বকশীও বন্দকী ব্যবসার জন্য ডিসি লাইসেন্স ব্যবহার করেন বলে জানালেন। আসলে কি এ লাইসেন্স বন্দকী ব্যবসার অনুমতি দেয়?

খুলনা জেলা জুয়েলারি সমিতির যুগ্ম সম্পাদক এসকে শওকাত আলী বলেন, বন্দকী ব্যবসা অনুমোদিত। এটা আছে বলেই মানুষ টাকা নিয়ে তাৎক্ষণিক প্রয়োজন মেটাতে পারছে।