ফুলতলা সাবরেজিস্টার অফিসে অনৈতিক লেনদেনের অভিযোগ, অনুসন্ধানী সংবাদ থেকে দূরে থাকছেন স্থানীয় সাংবাদিকেরা

ফুলতলা উপজেলার সাবরেজিস্টার অফিসকে ঘিরে অনৈতিক লেনদেনের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় সাংবাদিকদের একটি অংশের দাবি, সাবরেজিস্টার অফিস থেকে নিয়মিতভাবে প্রত্যেক সাংবাদিককে প্রায় ৫০০ টাকা করে ‘খরচ’ বা ‘সম্মানী’ দেওয়া হয়।
অভিযোগ রয়েছে, এই অর্থ প্রদানের মূল উদ্দেশ্য হলো— সাবরেজিস্টার অফিসে চলমান দুর্নীতি, অনিয়ম ও সেবাগ্রহীতাদের হয়রানির বিষয়গুলো যেন গণমাধ্যমে প্রকাশ না পায়। ফলে স্থানীয় অনেক সাংবাদিক অনুসন্ধানী প্রতিবেদন বা সাবরেজিস্টার অফিসকেন্দ্রিক কোনো নেতিবাচক সংবাদ প্রকাশ থেকে বিরত থাকছেন।
স্থানীয় কয়েকজন সচেতন নাগরিক নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, “সাবরেজিস্টার অফিসে দলিল নিবন্ধনে অতিরিক্ত টাকা নেওয়া, দালাল নির্ভরতা ও সাধারণ মানুষের হয়রানি নতুন কিছু নয়। কিন্তু সাংবাদিকদের মুখ বন্ধ রাখতে নিয়মিত অর্থ দেওয়া হলে এসব অনিয়ম কখনোই সামনে আসবে না।”
এ বিষয়ে ফুলতলা উপজেলার সাবরেজিস্টার তুষার আলম বলেন, ///////////// তবে সাংবাদিকতা মহলের একটি অংশ মনে করছে, এ ধরনের অভিযোগ সত্য হলে তা শুধু প্রশাসনিক দুর্নীতিই নয়, বরং গণমাধ্যমের নৈতিকতা ও স্বাধীনতার জন্যও মারাত্মক হুমকি।
সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা বলছেন, বিষয়টি দ্রুত নিরপেক্ষ তদন্তের আওতায় আনা প্রয়োজন। পাশাপাশি সাংবাদিকদেরও আত্মসমালোচনার মাধ্যমে পেশাগত নৈতিকতা রক্ষায় দৃঢ় অবস্থান নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে। সাংবাদিকেরা কীভাবে জীবীকার প্রয়োজন ঠিক রেখে পেশাগত জায়গাতেও ঠিক থাকবে সে বিষয়ে নতুন করে ভাবতে হবে।

সাবরেজিস্টার
প্রতিকী ছবি।

তবে সুশীল সমাজের একটি অংশ বিপরীত মত দিয়ে বলেছেন— সাংবাদিকদের পাশে সরকারি কর্মকর্তারা ব্যক্তিগতভাবে দাঁড়ালে সেটিকে অনৈতিক বলা যায় না। সাংবাদিকেরা শুধু সরকারি অফিস নিয়ে কাজ করেন না, আরো অনেক কাজ করেন। ফলে তাদের টিকে থাকতে সহযোগিতা করা নেতিবাচক নয়।