বছরের পর বছর ধরে জুয়েলার্সে মাসে বিক্রি করেন এক ভরিরও কম স্বর্ণ! তাহলে এত সম্পদ তিনি করেছেন কীভাবে?

নিউ মার্কেট

ভ্যাট অফিসের তথ্য ঘেটৈ যে তথ্য পাওয়া যাচ্ছে— সে অনুযায়ী প্রিয়া জুয়েলার্স বছরের পর বছর ধরে মাসে বড় অংকের লস করে জুয়েলারি ব্যবসা পরিচালনা করছেন। কেন? মাসে এক ভরিরও কম স্বর্ণ বিক্রি করে কীভাবে তিনি টিকে আছেন? দোকান ভাড়া, কর্মচারীর বেতন এবং অন্যান্য খরচ ধরলে মোট খরচ তো প্রতি মাসে লক্ষাধিক টাকা।

এ সম্পর্কে প্রিয়া জুয়েলার্সের মালিকের সাথে কথা বলা হলে তিনি সুস্পষ্টভাবে কিছু বলতে পারেননি। দোকানের সোফায় শুয়ে শুয়ে বললেন, দোকানে লাভ লস সবই হয়। দোকানের ভাড়া দিতে হয় না, কারণ, দোকানটি আমার নিজের। দোকানটি থেকে ভ্যাট আদায়কারী কর্মকর্তা সুজল বণিকের সাথে কথা বললে তিনি বলেন, দোকানে কত টাকা বিক্রি হয়েছে এটা বের করা আমাদের পক্ষে সম্ভব না। তিনি ‘বিক্রি হয় নাই’ দেখিয়েই আদায়কৃত ভ্যাট দিয়েছেন। বিক্রি হলে ভ্যাট না দিয়ে পার পাওয়ার সুযোগ নেই।

নিউ মার্কেট
খুলানায় নিউ মার্কেটে প্রিয়া জুয়েলার্সের দু’টি দোকানের একটি।

প্রিয়া জুয়েলার্সের স্বত্তাধিকারী তাহলে ব্যবসার পরিচালন ব্যয় বছরের পর বছর ধরে কীভাবে মেটাচ্ছেন? অথবা আয়ের অন্য কোনো অপ্রদর্শিত উৎস আছে তাদের। সম্প্রতি কয়েক কোটি টাকা দিয়ে প্রিয়া জুয়েলার্সের মালিকের বাড়ি ক্রয়ের তথ্য, এবং বাংলাদেশ এবং ভারতে তার আরো কিছু ব্যয়ের খাত বিশ্লেষণ করে ফলোআপ নিউজ-এর কাছে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে প্রিয়া জুয়োলার্সের মালিকের আয়ের উৎস্য তাহলে কী কী, কত প্রকার? বৈধ, নাকি অবৈধ?


নিউজটির সম্প্রসারণের কাজ চলছে।