ফকিরহাট সাবরেজিস্টার অফিসের দুর্নীতির দায় নিতে রাজি নন সাবরেজিস্টার মহিদুল ইসলাম

ফকিরহাট

জমির ক্রেতা বিক্রেতা এবং স্থানীয় জনসাধারণ দুর্নীতির অভিযোগ তুললেও ফকিরহাট সাবরেজিস্টার অফিসের সাবরেজিস্টার মোঃ মহিদুল ইসলাম সে দায় নিতে রাজি হননি। তিনি বলেন, আমার নাম ভাঙিয়ে কে কী করছে— দেখা আমার পক্ষে সম্ভব নয়। অফিসে কাজের অনেক চাপ। অনেকে ত্রুটিপূর্ণ কাগজ নিয়ে আসে। সবাইকে খুশি করা আমার কাজ নয়, আমাকে সঠিক কাজটিই করতে হয়। বিগত সময়ে দীর্ঘদিন ফকিরহাটে দায়িত্বপালনকারী সাবরেজিস্টার আল মাহমুদকে নিয়ে জনগণের অভিযোগ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমি তাকে একজন ভালো অফিসার হিসেবে জানি।

তবে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েক জন জানালেন— টাকার লেনদেন দক্ষভাবে সামলান সাবরেজিস্টারের সহকারী মোঃ জাহিদুল ইসলাম। এ বিষয়ে সহকারী জাহিদুল ইসলামের সাথে কথা বলার চেষ্টা করেছে ফলোআপ নিউজ। তবে তার মোবাইল নম্বর— ০১৭৪১****৬৭ নম্বরটি বন্ধ পাওয়া যায়। জাহিদুল ইসলাম এর আগে খুলনার দীঘলিয়া উপজেলায় চাকরি করেছেন। সেখানেও তার বিরুদ্ধে নানান অভিযোগ রয়েছে। জনসাধারণের কথায় দুর্নীতির সিণ্ডিকেটে কয়েকজন দলিল লেখকের নাম উঠে এসেছে।

ফকিরহাট
‘২০ সালের আগে দায়িত্ব পালন করা অফিসারদের নাম কেনো অনারবোর্ডে নেই, সে বিষয়ে সাবরেজিস্টার মহিদুল ইসলাম কোনো সদুত্তর দেননি। তবে জরাজীর্ণ ভবন নিয়ে তার আক্ষেপ খুবই বাস্তবিক মনে হয়েছে।