স্টার কাবাব অফিস পরিচালনা করে ওয়ারি শাখা থেকে। স্টার কাবাবের প্রতিটি শাখা আলাদা আলাদা ভ্যাট দিলেও কথা বলতে হলো স্টার কাবাব ওয়ারির সাথে। কতৃপক্ষ প্রথমে স্টার কাবাব লিঃ-এর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এসএম মনিরুজ্জামান এর সাথে কথা বলতে বললেও শেষ পর্যন্ত কথা হয় উপস্থিত কতৃপক্ষের সাথে।

কতৃপক্ষ ফলো আপনিউজ -এর সকল প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার পরে স্টার কাবাব কতৃপক্ষ দাবী করেন— তারা শতভাগ ভ্যাট বিশুদ্ধ প্রতিষ্ঠান।
ভ্যাট আদায়কারী কতৃপক্ষ আপনাদের চাপে রেখে ঘুষ খায় কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে প্রতিষ্ঠানের ভ্যাট ট্যাক্স বিষয়ক কতৃপক্ষ শংকর রাজবংশী বলেন, আমরা স্বচ্ছতার সাথে রাজস্ব প্রদান করি। যেহেতু সবকিছু সফটওয়্যারে করা হয়, ফলে আমাদের চাপ দেওয়ার কোনো সুযোগ নেই।
অনেকে তো ডুপ্লিকেট সফটওয়্যার ব্যবহার করে বললে তিনি বলেন, বিষয়টি তার জানা নেই।
ওয়ারির আবাসিক হোটেল সুপার, স্টার কাবাব রেস্টুরেন্ট এবং স্টার বেকারি মিলে যে ভ্যাট দেয় সেটি শতভাগ সঠিক বলে কতৃপক্ষ দাবী করেন। তবে মাঠপর্যায়ের অনুসন্ধান বলছে স্টার কাবাবের শুল্ককর নিয়ে বিতর্ক রয়েছে।

তবে ফলোআপ নিউজ-এর অনুসন্ধান বলছে এবং স্টার কাবাব কতৃপক্ষের বক্তব্য থেকে উঠে এসেছে— কাস্টমস্ মামলাটি করেছিলো ব্যক্তিস্বার্থে, বড় অংকের ঘুষ দাবী করে না পেয়ে। কাস্টমস্ কমিশনারদের এ ধরনের মামলা করার নজির থাকলেও খুব কম ক্ষেত্রেই কোনো টাকা আদায় হয়ে থাকে। বিষয়গুলো সমঝোতা হয়। রাষ্ট্রীয় সময় এবং সম্পদ নষ্ট হয় শুধু শুধু।
সম্পর্কিত সংবাদঃ
