মোরেলগঞ্জ সাবরেজিস্টার অফিসে দুর্নীতির অভিযোগ, সহকারীর বক্তব্যে পাল্টা প্রশ্ন

মোড়েলগঞ্জ

মোরেলগঞ্জ উপজেলার সাবরেজিস্টার অফিসে ঘুষ ও দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে বলে দাবি করেছেন এলাকাবাসী।ভুক্তভোগীদের দাবী— এটি লাগামহীনভাবে চলছে। একজন নিরীহ দলীল লেখক নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, জীবীকা এবং সহজ উপার্জনের তাগিদে এলাকা থেকে যারা সাব-রেজিস্টার অফিসে দালালী করে, এলাকার প্রভাবশালী যারা কমিশন নেয়, এবং আপনারা যারা সাংবাদিক— সবাই আপনারা সাব-রেজিস্টারের জন্য কাজটি অনেক সহজ করে দিয়েছেন। জনগণের কিচ্ছু করার নেই এখানে।তার সইটি লাগবে, ফলে তাকে ভাগ না দিলে ধরেন পঞ্চাশ জনের উপার্জনের পথ বন্ধ হয়ে যাবে। এবং এটি অবৈধ উপার্জন। ফলে মানুষ হিসেবে সাব-রেজিস্টার ভালো কি মন্দ তাতে কিছু যায় আসে না, থারাপ তাকে হতেই হবে। আর একবার রক্তের স্বাদ পেলে বাঘের বাচ্চা আর কি মায়ের দুধ খাবে? বুঝতেই পারছেন।

তাদের অভিযোগ, জমি রেজিস্ট্রি ও সংশ্লিষ্ট সেবা নিতে গেলে নির্ধারিত সরকারি ফি’র বাইরে অতিরিক্ত টাকা দাবি করা হয়। বিভিন্ন কৌশলে রেজিস্টি কাজ কঠিন করে তোলা যায়। একটু এদিক ওদিক করে ফি বাড়িয়ে দেওয়া যায়। আর কাজ দ্রুত সম্পন্ন করা, দলিল যাচাই কিংবা অন্যান্য প্রক্রিয়ায় অগ্রাধিকার দেওয়ার কথা বলে ঘুষ নেওয়ার প্রথা তো অনেক পুরনো।

অভিযোগের বিষয়ে সাবরেজিস্টার হিরা খাতুনের সহকারী মোহরার আবুল হোসেনকে প্রশ্ন করা হলে তিনি পাল্টা প্রশ্ন তুলে বলেন, “দুর্নীতি হলে Somoy News, ATN Bangla কি নিউজ করতো না?” তিনি আরো কয়েকটি জাতীয় গণমাধ্যম এবং বাগেরহাট-এর সাংবাদিকদের কথা উল্লেখ করেন। পাশাপাশি তিনি তার সহকর্মী জাকির হোসেনের পক্ষেও সাফাই গেয়ে অভিযোগগুলো অস্বীকার করেন। মোহরার জাকির হোসেন যেখানেই চাকরি করেন নিজের এলাকা হিসেবে মোরেলগঞ্জ সাব-রেজিস্টার অফিসে তার বিশেষ প্রভাব রয়েছে।