জানা যায়, গতকাল, ৯ জুলাই শনিবার সকাল ১১টায় শিশুটির পিতা মো. সাহেব আলী তার ছেলের মুসলমানি করানোর জন্য একই গ্রামের মমিনুল হক মমিন(৫৫) এর পুত্র চিকিৎসক মিঠু মিয়া(২৬) এর শরণাপন্ন হন। মিঠু মিয়া মুসলমানির করার পুর্বে শিশুটির শরীরে চেতনা নাশক ইনজেকশান পুশ করেন; তৎক্ষণাৎ শিশুটি জ্ঞান হারিয়ে ফেলে এবং নাকে-মুখে লালা ছুটতে থাকে। এর পর মিঠু মিয়া আরো কয়েকটি ইনজেকশান তার শরীরে পুশ করেন। অবস্থার আরও অবনতি ঘটলে মিঠু মিয়া সটকে পড়েন। বিষয়টি জানাজানি হলে এলাকার লোকজন ছুটে আসে এবং শিশুটিকে হাসঅপাতালে নেয়ার পথে শিশুটির মৃত্যু হয়। মৃত্যুর কিছুক্ষণের মধ্যেই শিশুটির লাশের দাফন সম্পন্ন করা হয়। উল্লেখ্য, অনেক চেষ্টা করেও চিকিৎসক ও শিশুটির পিতামাতাকে পাওয়া যায় নি।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এলাকার এক প্রত্যক্ষদর্শী জানান, মিঠু মিয়া ডাক্তার বা তিনি মুসলমানী করান এটা তিনি জানতেন না। বেলাল হোসেনকে খুন করা হয়েছে বলে তিনি দাবী করেন এবং বলেন মিঠু মিয়ার পরিবার প্রভাবশালী হওয়ায় খুনের ঘটনা ধামাচাপা দিতে শিশুটির বাবা-মাকে গোপন স্থানে আটকিয়ে রেখে লাশের ময়না তদন্ত না করিয়ে দ্রুত লাশ দাফন করা হয়েছে।
ইউনিয়নের সদ্য নির্বাচিত চেয়ারম্যান জনাব শাহ আলম মিয়া বলেন, যেহেতু চেতনা নাশক ইনজেকশান পুশ করার পরে শিশুটির মৃত্যু হয়েছে তাই এটি তদন্ত ছড়া স্বাভাবিক মৃত্যু বলা যায় না; পুলিশি তদন্তের আগেই যারা লাশ দাফন ও দাফনে সহায়তা করেছেন তাদেরকে অপরাধী আখ্যা দিয়ে বিষয়টি সুষ্ঠু তদন্ত পূর্বক দোষীদের শাস্তি দাবী করেন।
বিষয়টি ইউনিয়নের বর্তমান চেয়ারম্যান জনাব আব্দুল মালেকের দৃষ্টি আকর্ষণ করলে তিনি জানান হার্ট অ্যাটার্কে শিশুটির মৃত্যু হয়েছে। তিনি আরও বলেন যে শিশুটির মৃগী রোগ ছিল।
কুড়িগ্রাম সদর থানা ওসি জানান তারা বিষয়টি অবগত হলেও এ বিষয়ে এখনো কোনো অভিযোগ দায়ের করা হয় নি।এবং বিষয়টি তিনি দেখবেন বলে জানান।