ছবির নারী ছিলেন ড্যানিশ মানবাধিকারকর্মী Anja Ringgren Lovén। ২০১৬ সালের ৩০ জানুয়ারি নাইজেরিয়ার Akwa Ibom এলাকায় তিনি শিশুটিকে দেখতে পান। শিশুটিকে পরিবার ও স্থানীয় সমাজ ‘ডাইনি/witch’ হিসেবে অভিযুক্ত করে পরিত্যাগ করেছিল। তখন তার বয়স আনুমানিক দুই বছর এবং সে অত্যন্ত অপুষ্ট ও দুর্বল অবস্থায় ছিল। লোভেন তাকে উদ্ধার করে Hope নাম দেন। পরবর্তীতে Hope সুস্থ হয়ে ওঠে এবং স্কুলে যায়। ২০২৫ সালে তার প্রাথমিক শিক্ষা শেষ করার খবরও প্রকাশিত হয়।