ফলোআপ নিউজ ডেস্ক
দুর্গাপূজা কি এখনও মানুষের উৎসব, নাকি ক্রমেই তা কতিপয় মানুষের নেতৃত্ব, গোষ্ঠীস্বার্থ ও প্রভাব বিস্তারের একটি পরিসরে পরিণত হচ্ছে?
দুর্গাপূজা শুধু একটি ধর্মীয় আচার নয়। বাংলাদেশের সামাজিক ইতিহাসে এটি ছিল একই সঙ্গে ধর্ম, সংস্কৃতি, শিল্প, লোকজ অর্থনীতি, বিনোদন এবং পারস্পরিক সম্প্রীতির একটি বড় উৎসব। মন্দিরের পূজা ছিল তার কেন্দ্র, কিন্তু পূজার প্রাণ ছিল মানুষ।
একসময় দুর্গাপূজা মানেই ছিল মন্দিরকে ঘিরে মেলা। দূর-দূরান্ত থেকে মানুষ আসত। শিশুদের জন্য খেলনা, নাগরদোলা, মিষ্টি, মুড়ি-মুড়কি, জিলাপি, পুতুল, বাঁশি—কত কী! সন্ধ্যার পর আলোকসজ্জায় মুখর হয়ে উঠত পাড়া-মহল্লা। কোথাও যাত্রা, কোথাও নাটক, কোথাও গান, কবিতা, আবৃত্তি কিংবা সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। পূজামণ্ডপ হয়ে উঠত একটি অস্থায়ী সামাজিক মিলনকেন্দ্র।
আজ সেই চিত্র অনেক জায়গাতেই বদলে গেছে।
মন্দির আছে, পূজা আছে, প্রতিমা আছে, আলোকসজ্জা আছে—কিন্তু উৎসবের সেই ‘মানুষ’ কোথায়?
পূজা কি মানুষের কাছ থেকে দূরে সরে যাচ্ছে?
বাংলাদেশের অনেক পূজামণ্ডপে এখন পূজার আয়োজন ক্রমেই একটি নির্দিষ্ট কমিটি, কয়েকজন প্রভাবশালী ব্যক্তি কিংবা একটি সীমিত গোষ্ঠীর নিয়ন্ত্রণে চলে যাচ্ছে— এমন অভিযোগ ও আলোচনা রয়েছে।
মন্দিরের ব্যবস্থাপনা, পূজা কমিটি, চাঁদা সংগ্রহ, অতিথি তালিকা, রাজনৈতিক যোগাযোগ, প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয়— সবকিছুতেই কয়েকজনের প্রভাব দৃশ্যমান হয়ে ওঠে।
অবশ্যই সব মন্দির বা সব পূজা কমিটিকে একই কাঠামোয় বিচার করা যাবে না। অসংখ্য জায়গায় এখনও স্বেচ্ছাসেবী, তরুণ, নারী, স্থানীয় মানুষ এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের অংশগ্রহণে সুন্দরভাবে পূজা অনুষ্ঠিত হয়।
কিন্তু প্রশ্নটি অন্য জায়গায়।
যেখানে একটি ধর্মীয়-সাংস্কৃতিক উৎসবের আয়োজন কয়েকজন মানুষের ব্যক্তিগত প্রভাব ও কর্তৃত্বের ওপর অতিরিক্ত নির্ভরশীল হয়ে পড়ে, সেখানে সেই উৎসবের সামাজিক চরিত্র কতটা অক্ষুণ্ণ থাকে?
একটি মন্দির কোনো ব্যক্তির সম্পত্তি নয়। পূজা কমিটিও কোনো ব্যক্তিগত ক্ষমতার প্ল্যাটফর্ম হওয়ার কথা নয়। মন্দিরের সঙ্গে মানুষের সম্পর্ক যদি হয়ে যায়— ‘কে কমিটিতে আছেন’, ‘কার কথা শেষ কথা’, ‘কার সঙ্গে কার যোগাযোগ’— তাহলে উৎসবের অন্তর্নিহিত গণচরিত্রটি ধীরে ধীরে ক্ষয়ে যায়।
নেতৃত্ব যখন সেবার বদলে পরিচয়ের প্রতীক
নেতৃত্ব প্রয়োজন। একটি বড় পূজা আয়োজন করতে সংগঠন প্রয়োজন, অর্থ প্রয়োজন, প্রশাসনিক সমন্বয় প্রয়োজন, নিরাপত্তা প্রয়োজন।
কিন্তু নেতৃত্ব আর কর্তৃত্ব এক জিনিস নয়।
নেতৃত্বের উদ্দেশ্য হওয়া উচিত মানুষকে যুক্ত করা। আর কর্তৃত্বের প্রবণতা মানুষকে নিয়ন্ত্রণ করতে চায়।
দুর্গাপূজার ক্ষেত্রে এই পার্থক্যটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
কেউ যদি বছরের পর বছর একই পদ আঁকড়ে থাকেন, নতুন প্রজন্মকে জায়গা না দেন, সাধারণ ভক্তদের মতামতকে গুরুত্ব না দেন, কিংবা মন্দিরকে নিজের সামাজিক পরিচিতি ও প্রভাব বিস্তারের একটি কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহার করেন— তাহলে প্রশ্ন উঠতেই পারে, এটি কি আর জনসম্পৃক্ত উৎসব থাকছে?
একটি পূজা কমিটিতে একই কয়েকজন মানুষ বছরের পর বছর সিদ্ধান্ত নেবেন, একই মানুষ অতিথি ঠিক করবেন, একই মানুষ অর্থের নিয়ন্ত্রণ রাখবেন, একই মানুষ প্রশাসনের সঙ্গে যোগাযোগ করবেন— আর এলাকার সাধারণ মানুষ শুধু দর্শনার্থী হয়ে থাকবেন— এটি কোনো সুস্থ সাংস্কৃতিক কাঠামো হতে পারে না।
গোষ্ঠীবাদ: মন্দিরের ভেতরে অদৃশ্য দেয়াল
বাংলাদেশের সমাজে গোষ্ঠী, পেশা, অঞ্চল, রাজনৈতিক পরিচয় কিংবা ব্যক্তিগত সম্পর্কের ভিত্তিতে নানা ধরনের সামাজিক বলয় তৈরি হয়। মন্দিরও তার বাইরে নয়।
কোথাও পুরোনো কমিটি বনাম নতুন প্রজন্ম। কোথাও এক পরিবার বনাম অন্য পরিবার। কোথাও একটি সংগঠন বনাম আরেকটি সংগঠন। কোথাও আবার রাজনৈতিক বা সামাজিক প্রভাবশালী একটি বলয় মন্দির ব্যবস্থাপনায় দীর্ঘস্থায়ী কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা করে।
এর সবচেয়ে বড় ক্ষতি হয় তরুণদের।
যে তরুণটি পূজার সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান করতে চায়, সে যদি দেখে সিদ্ধান্ত নেওয়ার জায়গায় তার কোনো ভূমিকা নেই, তাহলে একসময় সে দূরে সরে যায়।
যে নারী পূজা আয়োজনের সঙ্গে যুক্ত হতে চান, তিনি যদি দেখেন গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তগুলো কেবল পুরুষদের একটি নির্দিষ্ট বলয়ের মধ্যে সীমাবদ্ধ, তিনিও আগ্রহ হারাতে পারেন।
ফলে পূজা ধীরে ধীরে একটি প্রাণবন্ত সামাজিক উৎসব থেকে একটি আনুষ্ঠানিক ধর্মীয় আয়োজনে পরিণত হয়।
মেলার মৃত্যু কেন গুরুত্বপূর্ণ?
অনেকে হয়তো বলবেন—মেলা না থাকলে পূজা কি পূজা থাকে না?
অবশ্যই থাকে।
কিন্তু এখানে মেলার প্রশ্নটি কেবল দোকানপাট বা বিনোদনের প্রশ্ন নয়। মেলা ছিল সামাজিক অংশগ্রহণের একটি মাধ্যম।
একটি পূজামণ্ডপের পাশে মেলা বসলে সেখানে শুধু হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষই যেতেন না। স্থানীয় মুসলমান, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান—বিভিন্ন ধর্ম ও সম্প্রদায়ের মানুষও যেতেন। শিশুরা খেলনা কিনত, তরুণরা ঘুরত, পরিবারগুলো সময় কাটাত।
অর্থাৎ মেলা ধর্মীয় সীমানাকে অনেকটাই অতিক্রম করে একটি স্থানীয় জনপরিসর তৈরি করত।
আজ নিরাপত্তা, জায়গার সংকট, ব্যয়, নগরায়ন, যানজট, প্রশাসনিক বিধিনিষেধ কিংবা আয়োজকদের নিজস্ব অগ্রাধিকারের কারণে অনেক জায়গায় সেই মেলার পরিসর সংকুচিত হয়েছে।
কিন্তু মেলার জায়গা হারানোর সঙ্গে সঙ্গে আমরা হারাচ্ছি একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক সামাজিক পরিসরও।
সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান কোথায় গেল?
আরেকটি বড় পরিবর্তন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে।
একসময় দুর্গাপূজার সঙ্গে গান, নাটক, নৃত্য, আবৃত্তি, যাত্রা, আলোচনা—এসব ছিল স্বাভাবিক অনুষঙ্গ।
এখন অনেক পূজামণ্ডপে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান হয় না, অথবা হলেও তা সীমিত। কোথাও অনুষ্ঠান হয়ে দাঁড়িয়েছে কেবল কয়েকজন শিল্পীর পরিবেশনা, কখনো আবার জনপ্রিয় শিল্পী আনার প্রতিযোগিতা।
কিন্তু পূজার সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানকে শুধু তারকা শিল্পী দিয়ে মাপা উচিত নয়।
স্থানীয় শিশু গান করবে। কিশোরী নাচ করবে। তরুণ আবৃত্তি করবে। এলাকার প্রবীণরা আলোচনা করবেন। স্থানীয় নাট্যদল নাটক করবে।
এটাই ছিল উৎসবের গণতন্ত্র।
আজ যদি স্থানীয় মানুষের অংশগ্রহণের জায়গায় কেবল মঞ্চ, ভিআইপি চেয়ার, অতিথি এবং আনুষ্ঠানিকতা জায়গা করে নেয়, তাহলে উৎসবের সাংস্কৃতিক প্রাণশক্তিই কমে যায়।
আরেকটি প্রশ্ন— লিয়াজো প্রতিষ্ঠার মঞ্চ?
সবচেয়ে অস্বস্তিকর প্রশ্নটি এখানেই।
দুর্গাপূজাকে কেউ কেউ কি সামাজিক ও ধর্মীয় উৎসবের পাশাপাশি নিজেদের লিয়াজো বা প্রভাবের নেটওয়ার্ক শক্তিশালী করার ক্ষেত্র হিসেবে ব্যবহার করছেন?
প্রশ্নটি করা প্রয়োজন।
কারণ বড় পূজার সঙ্গে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক নেতা, ব্যবসায়ী, প্রশাসনের কর্মকর্তা, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এবং বিভিন্ন প্রভাবশালী ব্যক্তির যোগাযোগ তৈরি হওয়া অস্বাভাবিক নয়। নিরাপত্তা ও প্রশাসনিক সমন্বয়ের জন্য এসব যোগাযোগ প্রয়োজনও।
কিন্তু প্রয়োজনীয় সমন্বয় আর ব্যক্তিগত লিয়াজোর মধ্যে পার্থক্য আছে।
যদি পূজা কমিটির পদ সামাজিক মর্যাদা, রাজনৈতিক পরিচিতি, ব্যবসায়িক সম্পর্ক কিংবা প্রশাসনিক যোগাযোগ বাড়ানোর হাতিয়ার হয়ে ওঠে, তাহলে উৎসবের উদ্দেশ্য নিয়ে প্রশ্ন উঠবেই।
পূজার মঞ্চ কি দেবীর সামনে মানুষের মিলনের জায়গা, নাকি প্রভাবশালী ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্ক তৈরির মঞ্চ?
প্রশ্নটি কাউকে ব্যক্তিগতভাবে অভিযুক্ত করার জন্য নয়। বরং উৎসবের চরিত্র নিয়ে আত্মসমালোচনার জন্য।
অর্থের স্বচ্ছতাও গুরুত্বপূর্ণ
বড় পূজা মানেই বড় ব্যয়।
মণ্ডপ, প্রতিমা, আলোকসজ্জা, নিরাপত্তা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, পুরোহিত, প্রসাদ, পরিচ্ছন্নতা—সবকিছুর জন্য অর্থ প্রয়োজন।
এই অর্থ আসে কোথা থেকে?
কত টাকা সংগ্রহ হলো?
কত টাকা ব্যয় হলো?
কারা অনুদান দিলেন?
কীভাবে ব্যয় নির্ধারণ করা হলো?
সাধারণ সদস্যরা কি হিসাব দেখতে পারেন?
এগুলো প্রশ্ন করলেই কাউকে অবিশ্বাস করা হয় না। বরং স্বচ্ছতা প্রতিষ্ঠিত হয়।
ধর্মীয় ও সামাজিক প্রতিষ্ঠান যত বড় হবে, তার আর্থিক স্বচ্ছতার প্রয়োজনও তত বাড়বে।
পূজাকে আবার মানুষের কাছে ফিরিয়ে আনা দরকার
সমস্যার কথা বলাই শেষ কথা নয়। বরং এখান থেকেই পুনর্গঠনের প্রশ্ন আসে।
দুর্গাপূজাকে যদি সত্যিই মানুষের উৎসব হিসেবে ধরে রাখতে চাই, তাহলে কয়েকটি পরিবর্তন প্রয়োজন।
প্রথমত, পূজা কমিটিতে নেতৃত্বের বিকেন্দ্রীকরণ দরকার।
দ্বিতীয়ত, তরুণ ও নারীদের সিদ্ধান্ত গ্রহণে বাস্তব অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে।
তৃতীয়ত, স্থানীয় মানুষের জন্য উন্মুক্ত সাংস্কৃতিক আয়োজন বাড়াতে হবে।
চতুর্থত, সম্ভব হলে মেলা ও লোকজ আয়োজন ফিরিয়ে আনতে হবে।
পঞ্চমত, আয়-ব্যয়ের হিসাব স্বচ্ছ করতে হবে।
ষষ্ঠত, কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠী যেন মন্দিরকে দীর্ঘমেয়াদি ব্যক্তিগত প্রভাবের কেন্দ্র বানাতে না পারে, সে বিষয়ে সাংগঠনিক নীতিমালা থাকা দরকার।
সপ্তমত, পূজাকে রাজনৈতিক বা ব্যক্তিগত লিয়াজোর প্রতিযোগিতা থেকে যতটা সম্ভব দূরে রাখতে হবে।
আর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ—পূজার কেন্দ্রবিন্দুতে আবার মানুষকে ফিরিয়ে আনতে হবে।
দেবী আসেন, কিন্তু মানুষ যেন হারিয়ে না যায়
দুর্গাপূজার প্রতীকী অর্থের দিকে তাকালে একটি বিষয় খুব স্পষ্ট—এটি অশুভের বিরুদ্ধে শুভের, অন্যায়ের বিরুদ্ধে ন্যায়ের এবং বিভাজনের বিরুদ্ধে ঐক্যের এক সাংস্কৃতিক প্রতীক।
তাহলে সেই উৎসবের ভেতরেই যদি অহংকার, গোষ্ঠীবাদ, ক্ষমতার কেন্দ্রীকরণ, ব্যক্তিগত প্রভাব ও লিয়াজোর সংস্কৃতি বাড়তে থাকে, তাহলে আমাদের নিজেদের কাছেই প্রশ্ন করতে হবে—
আমরা আসলে কী উদ্যাপন করছি?
মন্দিরের উচ্চতা বাড়ছে, আলোকসজ্জা বাড়ছে, বাজেট বাড়ছে, অতিথির সংখ্যা বাড়ছে—কিন্তু যদি সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণ কমে যায়, মেলার প্রাণ হারিয়ে যায়, সাংস্কৃতিক আয়োজন শুকিয়ে যায় এবং মন্দির কয়েকজন মানুষের নিয়ন্ত্রণে চলে যায়, তাহলে উৎসবের বাহ্যিক জৌলুস বাড়লেও তার সামাজিক প্রাণ কমে যেতে পারে।
দুর্গাপূজার সবচেয়ে বড় শক্তি কোনো মণ্ডপের বিশালতা নয়।
তার শক্তি ছিল মানুষে মানুষে সম্পর্ক।
একজন শিশু মেলায় গিয়ে যে আনন্দ পেত, একজন তরুণ মঞ্চে উঠে যে সাহস পেত, একজন প্রতিবেশী অন্য ধর্মের বন্ধুকে নিয়ে যে পূজামণ্ডপে যেতেন, একজন বৃদ্ধ যে সন্ধ্যায় মন্দিরের উঠানে বসে পরিচিত-অপরিচিত মানুষের সঙ্গে কথা বলতেন—এসবই ছিল পূজার প্রকৃত সামাজিক সৌন্দর্য।
সেই জায়গাটি যদি হারিয়ে যায়, তাহলে আমাদের হয়তো পূজা থাকবে, কিন্তু উৎসব থাকবে না।
তাই এখন প্রশ্ন হওয়া উচিত—
দুর্গাপূজা কি কেবল মন্দিরে প্রতিমা স্থাপনের আয়োজন, নাকি মানুষের জন্য একটি উন্মুক্ত সামাজিক-সাংস্কৃতিক পরিসর?
মন্দির কি কয়েকজনের নেতৃত্বের দুর্গ, নাকি সবার অংশগ্রহণের স্থান?
পূজার মঞ্চ কি মানুষের মিলনের জায়গা, নাকি লিয়াজো প্রতিষ্ঠার প্ল্যাটফর্ম?
উত্তরটি আমাদেরই দিতে হবে।
কারণ দেবী প্রতিবছর আসবেন।
কিন্তু দেবীকে ঘিরে মানুষগুলোকে আমরা কীভাবে একত্রিত করব—সেটিই আসল পরীক্ষা।
