“In the depth of winter, I finally learned that within me there lay an invincible summer.”
বাংলা ভাবার্থ: জীবনের গভীর অন্ধকারেও মানুষের ভেতরে অদম্য আলো লুকিয়ে থাকে। — জীবনের প্রতি বিতশ্রদ্ধ অনেক জ্ঞানী মানুষও হয়েছেন। কিন্তু জীবন মহান, জীবন শ্রেষ্ঠ —এটাই শেষ কথা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়ে আছে।

পরিসংখ্যান বলছে, সাহিত্যিক এবং দার্শনিকদের মধ্যে বিষন্নতার সমস্যা বেশি থাকে, এবং যে কারণেই হোক আত্মহত্যার হারও লেখকদের মধ্যে বেশি। এরকম দশজন সাহিত্যিকঃ
১. আর্নেস্ট হেমিংওয়ে (১৮৯৯ – ১৯৬১);
তিনি প্রচণ্ড ডিপ্রেশন বা বিষণ্নতায় ভুগছিলেন এবং এর জন্য বৈদ্যুতিক শক থেরাপি (Electroshock treatments) নিয়েছিলেন, যা তাকে আরো বিপর্যস্ত করে তোলে।
হেমিংওয়ে হিমোক্রোমাটোসিস (hemochromatosis) নামক বংশগত রোগে ভুগছিলেন, যার ফলে তার লিভার, অগ্ন্যাশয় এবং অন্যান্য অঙ্গে সমস্যা দেখা দেয়।
মৃত্যুর কিছুদিন আগে তিনি মানসিক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন ।
২. ভার্জনিয়া উলফ (১৮৮২ – ১৯৪১);
চিঠি: মৃত্যুর আগে তিনি তার স্বামী লিওনার্ড উলফের জন্য একটি আবেগঘন চিঠি রেখে গিয়েছিলেন।
৩. অ্যানি সেক্সটন (১৯২৮ – ১৯৭৪);
৪. রিআরোসুকে আকুটাগোআ (১৮৯২ – ১৯২৭);
৫. কারিন বোয়ে (১৯৯০ – ১৯৪১);
৬. জন বেরিম্যান (১৯১৪ – ১৯৭২);
৭. উকিও মিশিমা (১৯২৫ – ১৯৭০);
৮. সিলভিয়া প্লাথ (১৯৩২ – ১৯৬৩);
৯. হান্টার এস থমসন (১৯৩৭ – ২০০৫);
১০. জ্যাক লন্ডন (১৮৭৬ – ১৯১৬)।

