নারী, চল যাই
নারী, আমার কাছে আয়, চল যাই তোরে সঙ্গী করে নতুন কোনো গায়। আমি তোরে নিয়ে যাব অচিনপুরে, দূর সীমানায়। গড়ে নেব নতুন পৃথিবী, তোর কোলে মাথা রেখে কষ্ট লুকাব সেথায়।
নারী, আমার কাছে আয়, চল যাই তোরে সঙ্গী করে নতুন কোনো গায়। আমি তোরে নিয়ে যাব অচিনপুরে, দূর সীমানায়। গড়ে নেব নতুন পৃথিবী, তোর কোলে মাথা রেখে কষ্ট লুকাব সেথায়।
বেদনাকে ভালোবেসে বলেছিলাম একদিন আরো কিছুক্ষণ না হয় রইতে কাছে— সেই থেকে বেদনারা রয়ে গেছে আমার উঠোন জুড়ে ডালিম গাছের পাতায় কথা বলা কাকাতুয়া হয়ে— ছাদের কার্নিশ জানালার ঘুলঘুলি বেদনার নীলে সারাদিন নীল হয়ে থাকে— আমার আকাশ ভালোবেসে যেতে যেতে রয়ে গেছে আকাশের ছায়া হয়ে! শাহিদা সুলতানা
এটি একটি দৃশ্যপ্রধান চলচ্চিত্র। প্রধানত গ্রাম, এবং শহরের প্রচুর দৃশ্য চিত্রায়ন করা হয়েছে চলচ্চিত্রটিতে। বিশেষত নিম্নবিত্ত এবং বৈষম্যের ধাক্কায় ছিটকে পড়া মানুষের জীবন, জীবনের সংগ্রাম এবং নিগ্রহের দিকটি উঠে এসেছে। নির্মাতা লতা আহমেদ কাজটি করেছেন সুনিপুনতায়, সহজ সরল স্বাভাবিকভাবে মৃৎসন্তান হয়ে বেঁচে থাকা মানুষের জন্য দরদ ঢেলে দিয়ে। এক কথায় চলচ্চিত্রটি হচ্ছে নির্মাতার শিল্পীত মন…
আজব দেশ আজব দেশের আজব কথা কাঁঠাল গাছে আমের পাতা। আজব দেশের আজব গান গম ক্ষেতে সোনার ধান। আজব দেশের আজব শখ কাকের নাম সাদা বক। আজব দেশের আজব ছড়া এদেশের নিয়ম খুব কড়া! আজব লোক একটা পা দুইটা মাথা কানে জুতা পায়ে ছাতা। পেটটা তার পিঠের মতো মুখ সেখানে শত শত। মশা খায় মাছি…
সম্প্রতি এক সমাবেশে ডাঃ জাফরুল্লাহ চৌধুরী সনাতন হিন্দু ধর্মের সমালোচনা করে বলেন, “মহাভারত রামায়ণ, শঠতা, প্ররোচনা ও মিথ্যাচারের গল্প কাহিনী।” এই বক্তব্যের মধ্য দিয়ে প্রমাণিত হলো, বাহিরে প্রগতিবাদী হলেও ভেতরটা আল্লামা শফীর হেফাজতি দর্শনে ভরপুর তার। অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহার হত্যাকাণ্ডের স্বচ্ছ বিচারের ব্যাপারে দেশবাসী ঐক্যবদ্ধ। কিন্তু এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে অনেকের মতো ডাঃ জাফরউল্লাহও ঘোলা…
বঙ্গবন্ধুর জন্য শোক ওগো বাইয়া বাইয়া পড়ে, তাই ওরা এখন মুজিব কোর্টের আরবীয় ভার্সান বানায়ে পরে! মানুষ এমনই একদিন না একদিন সে নিজের ফাঁদে নিজেই পড়ে। কেমন দেখাচ্ছে? জাতির পথপ্রদর্শক তো! নিশ্চয়ই আমাগোরে শেখাচ্ছে। চশমাটাও দেখছি কালো, ভালো! ভালো! খুবই ভালো! একটা উৎসবের আমেজ, মুচকি হাসি মুখে, নাকি অতি দু:খে? দেশে শতভাগ ওরা কাদের, একটু…
নারী, কী এমন হয়? কবির কাব্য কথায় হয় কি তোমার কোনো ক্ষয়? এত স্বর্গ তোমার লুকিয়ে রেখেছো সযতনে, কেউ কি নাই পৃথিবীতে যে তোমাকে চাইতে পারে অপার্থিব সে ঐকতানে? তোমায় দেখে দেখে অবিরত নেশার ঘোর আমার, মরূভূমিতে এবার উপচে পড়ুক বিন্দুতে প্রস্ফুটিত মহাসিন্ধু তোমার।
একবার মরুদেশ ফৈরাতে ভয়ঙ্কর কিছু রোগ দেখা দেয়। শিশুরা বাড়ছে না, নারীদের ত্বকে এবং চুলে বিভিন্ন ধরনের সমস্যা দেখা দিয়েছে। অনেকে লিভার এবং কিডনি ফেইলিউর হয়ে মারা যেতে থাকে। সে অনেককাল আগের কথা। ৬৮৮ খ্রিস্টাব্দের কথা। ফৈরাতের সরকার তখন বিষয়টি নিয়ে খুবই চিন্তিত। ফৈরাত তখন চলত একটি দ্বিস্তরের সরকার ব্যবস্থা দ্বারা। উচ্চকক্ষে ছিল বিজ্ঞানী, সাহিত্যিক,…