জাগরণের কবিতা – স্বাধীনতা তুমি
সারা শরীরে রেখেছো জমিয়ে শরিয়তের প্রাপ্ত ক্লান্তি! কোথায় খুঁজে পাবে মারিফতের স্বগর্রসুখ আর শান্তি!! নেংটি ছিঁড়ে পাগড়ী বেঁধে বাঙালী হলো মুসলমান, সত্য সুপথ যেমন তেমন অন্তরে নাই লেশমাত্র ইমান! স্বাধীনতা তুমি
সারা শরীরে রেখেছো জমিয়ে শরিয়তের প্রাপ্ত ক্লান্তি! কোথায় খুঁজে পাবে মারিফতের স্বগর্রসুখ আর শান্তি!! নেংটি ছিঁড়ে পাগড়ী বেঁধে বাঙালী হলো মুসলমান, সত্য সুপথ যেমন তেমন অন্তরে নাই লেশমাত্র ইমান! স্বাধীনতা তুমি
যারে বলছ মাগি মাগি। সে ঘাট এড়াতে পারে সে মহা বৈরাগী।। মাগির দায় নন্দের বেটা হালছে বেহাল গলে ক্যাথা উদাসীনে মুড়িয়ে মাথা ফিরছে হয়ে যোগী।। মাগির প্রেমে চণ্ডীদাসে বিকালে রজকীর পাশে মরিয়ে জীবন পায় সে হয়ে শুদ্ধ অনুরাগী।। দেবের দেব সে বিরধি কালী মাগির দায় শ্মশানবাসী লালন কয় সে আউলেকেশী বুকে পা দিয়ে কিসের লাগি।।
১ নিকৃষ্ট এ সময়, তবু আমি তৃপ্ত। জুতোর পাতলা হয়ে যাওয়া তল হতে পিনটা খুলে আবার পথ চলি অবিরাম, ছন্দে-তালে-লক্ষ্যে। সকালের ডিম সন্ধ্যেয়ও অক্ষত, শিশুটিও তবে কি আমার পিছু নিয়েছে? এই অকালে সংযম শিখেছে সেও জীবনের প্রথম বছর না পেরোতেই! আমার প্রতিচ্ছবি দিগুণ হয়ে আমাকে ভোলায়! কত দুঃখ দিতে পারো তুমি? সব ফিকে তুমি যত,…
১ ওটা কিসের প্রতীক? গোপনীয়তার। ওটা কিসের প্রতীক? স্বার্থপরতার। ওটা কিসের প্রতীক? বর্বরতার। ওটা কিসের প্রতীক? প্রতারণার। ওটা কিসের প্রতীক? প্রার্থনার। ২ তুমি কে? বৌদ্ধ। তুমি কে? হিন্দু। তুমি কে? খ্রিষ্টান। তুমি কে? মুুসলমান। তোমরা কে? হিন্দু-মুসলিম-বৌদ্ধ-খ্রিষ্টান। ওটা কী? বানর। ওটা কী? শিয়াল। ওটা কী? কুকুর। ওটা কী? ওরাংওটাং। ওগুলো কী? বানর-কুকুর-শিয়াল-ওরাংওটাং। দিব্যেন্দু দ্বীপ
প্রিয়তম, আমার স্থিতি বা অনুপস্থিতিতে যদি কখনো প্রেম অনুভব করো দেহ-মনে যেও তুমি কোনো এক ব্যর্থ যুবকের কাছে। পাঁচ টাকা করে চাদা দিয়ে বাদাম কিনে খেও, থেকো তোমরা দূর গায়ে কোনো এক পর্ণো কুটিরে।
খুব বেগ পেতে হয়নি বাসা থেকে ওর পালিয়ে আসতে। পাশের বাসার ছাদে গিয়ে ওকে একটি বোরখা দিয়ে আসা হয়েছিল। ছাদে গিয়েছিলাম আমরা ইন্টারনেটের লাইন টানার কথা বলে। ও বোরখা পরে বেরিয়ে এসেছে। কুয়াকাটা যাব আমরা। ঝামেলা হচ্ছে, বর্তমানে হোক না হোক পুলিশে যাচাই বাছাই করে, তাই স্বামী-স্ত্রী প্রমাণ করার ঝামেলা হওয়ার সম্ভাবনা খুব বেশি। বোরখা…
প্রিয়তম ভালোবেসে আমায় শিকল বেঁধে দিয়েছিল পায়, বলেছিল, সাগর পাড়ি দাও তুমি, পারবে নিশ্চয়, আমি বিশ্বাস করি। শিকল ছিড়ে পালাইনি আমি, পারিনি- নিজেকে আরো একটু গুটিয়ে নিয়ে সংগোপনে সাগরটাকে আড়ম্বরে টেনে এনেছি ঘরে। প্রিয়তম এখন শুধু আমায় দেখে অহমিকায়, আমি তখন সাগরটাকে সামলে নি অবলিলায়। বলতে পারো, বিশ্বজগৎ তুচ্ছ করে আমায় কি সে পেল কিছু?…