Headlines

ঢাকা দক্ষিণ বন্ড কমিশনারেটের তিন প্রতিষ্ঠান: আমদানি-রপ্তানি, শুল্কমুক্ত কাঁচামাল ও রাজস্বের হিসাব কোথায়? উইজডম এটায়ারসের মালিক কে?

জাস অ্যাপারেলস্

জাস অ্যাপারেলস, নায়াগ্রা একসেসরিজ (নায়াগ্রা টেক্সটাইলস্ লিঃ এর অঙ্গ প্রতিষ্ঠান) ও উইজডম এটায়ারস নিয়ে নথিভিত্তিক অনুসন্ধানের প্রশ্ন।

জাস অ্যাপারেলস্
তৈরী পোশাক এবং একসেসরিজ আমদানি রপ্তানি প্রতিষ্ঠান হিসেবে বিভিন্ন দৃষ্টিকোন থেকে তিনটি প্রতিষ্ঠানই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

ফলোআপ নিউজ | ২৪ অক্টোবর ২০২৬

রপ্তানিমুখী শিল্পের উৎপাদন ব্যয় কমাতে বাংলাদেশে বন্ডেড ওয়্যারহাউস সুবিধা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এই ব্যবস্থায় যোগ্য প্রতিষ্ঠান নির্দিষ্ট শর্তে আমদানি শুল্ক ও কর পরিশোধ ছাড়াই উৎপাদনের কাঁচামাল ও প্যাকেজিং উপকরণ আমদানি করতে পারে। তবে এ সুবিধার বিপরীতে কাঁচামালের ব্যবহার, মজুত, উৎপাদন এবং রপ্তানির হিসাবের মধ্যে সামঞ্জস্য থাকা জরুরি।

জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের কাস্টমস বিভাগের ব্যাখ্যা অনুযায়ী, বন্ড সুবিধার আওতায় আমদানিকৃত উপকরণের পরিমাণ অনুমোদিত সীমা ও প্রযোজ্য Utilization Declaration (UD) অথবা Utilization Permission (UP)-এর সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ হতে হয়। বন্ডের আওতায় আনা পণ্য রপ্তানি না হলে বা নির্ধারিত শর্ত পূরণ না হলে প্রযোজ্য শুল্ক-কর পরিশোধের প্রশ্ন ওঠে। সূত্র: বাংলাদেশ কাস্টমসের বন্ডেড ওয়্যারহাউস নির্দেশনা

ঢাকা দক্ষিণ কাস্টমস বন্ড কমিশনারেটের আওতাধীন তিন প্রতিষ্ঠান— মেসার্স জাস অ্যাপারেলস প্রাইভেট লিমিটেড, মেসার্স নায়াগ্রা একসেসরিজ ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড এবং মেসার্স উইজডম এটায়ারস লিমিটেড— সম্পর্কে অনুসন্ধানে তাই কয়েকটি মৌলিক প্রশ্ন সামনে এসেছে: প্রতিষ্ঠানগুলো কী পরিমাণ কাঁচামাল আমদানি করেছে, তাদের রপ্তানি বা রপ্তানিমুখী সরবরাহের মূল্য কত, আমদানি করা উপকরণের কতটা উৎপাদনে ব্যবহৃত হয়েছে এবং সংশ্লিষ্ট বন্ড অডিটে কী পাওয়া গেছে?

প্রকাশ্য নথিতে পাওয়া তথ্য দিয়ে এই প্রশ্নগুলোর সবগুলোর উত্তর এখনো নিশ্চিত করা যায়নি। ফলে কোনো প্রতিষ্ঠানকে রাজস্ব ফাঁকি বা বন্ড সুবিধার অপব্যবহারের সঙ্গে জড়িত বলার মতো প্রমাণও বর্তমানে পাওয়া যায়নি।

নায়াগ্রা একসেসরিজ: লাইসেন্সের তথ্য পাওয়া গেলেও আমদানি-রপ্তানির পূর্ণ হিসাব অপ্রকাশিত

মেসার্স নায়াগ্রা একসেসরিজ ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের বন্ড লাইসেন্স নম্বর হিসেবে ঢাকা দক্ষিণ বন্ড কমিশনারেটের প্রকাশ্য তালিকায় 244/CUS-PBW/2004 উল্লেখ রয়েছে। বাংলাদেশ প্যাকেজিং অ্যান্ড একসেসরিজ ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের সদস্যতথ্যে প্রতিষ্ঠানটির সদস্য নম্বর ৬১২ এবং কারখানার ঠিকানা প্লট ৬০, ভূইঘর, ফতুল্লা, নারায়ণগঞ্জ উল্লেখ করা হয়েছে।

সূত্র:

তবে শুধু লাইসেন্স নম্বর ও সংগঠনের সদস্যতথ্য দিয়ে প্রতিষ্ঠানটির প্রকৃত ব্যবসায়িক কার্যক্রম বা রাজস্ব-অনুবর্তিতা নির্ধারণ করা যায় না।

এক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন হলো, প্রতিষ্ঠানটি গত পাঁচ অর্থবছরে কী ধরনের কাঁচামাল আমদানি করেছে, আমদানির মোট মূল্য কত, সরাসরি রপ্তানি কত এবং স্থানীয় রপ্তানিমুখী পোশাকশিল্পে সরবরাহের পরিমাণ কত। সরাসরি রপ্তানি ও স্থানীয় রপ্তানিমুখী প্রতিষ্ঠানে সরবরাহের হিসাব আলাদা করে দেখলে বন্ড সুবিধার ব্যবহার সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা পাওয়া সম্ভব।

এসব তথ্যের নির্ভরযোগ্য প্রতিষ্ঠানভিত্তিক হিসাব প্রকাশ্য সূত্রে নিশ্চিত করা যায়নি। তাই আমদানি ও রপ্তানির কোনো নির্দিষ্ট অঙ্ক এখানে উল্লেখ করা হচ্ছে না।

Wisdom Attires Ltd.

উইজডম এটায়ারস: উৎপাদন সক্ষমতার সঙ্গে আমদানি ও রপ্তানির তুলনা জরুরি

মেসার্স উইজডম এটায়ারস লিমিটেড সম্পর্কে বাংলাদেশ গার্মেন্টস ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (BGMEA) সদস্যতথ্যে বেশ কিছু ব্যবসায়িক তথ্য রয়েছে।

BGMEA-এর তথ্য অনুযায়ী:

  • প্রতিষ্ঠানের নাম: Wisdom Attires Ltd.
  • BGMEA নিবন্ধন নম্বর: ৬৯৯
  • EPB নিবন্ধন নম্বর: ১৫৫
  • প্রতিষ্ঠাকাল: ১৯৮৮
  • কারখানার ঠিকানা: দাপা ইদ্রাকপুর, ফতুল্লা, নারায়ণগঞ্জ
  • প্রধান রপ্তানিযোগ্য পণ্য: টি-শার্ট, পোলো শার্ট ও সোয়েটশার্ট
  • তালিকাভুক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক: সেলিম ওসমান
  • সদস্যতালিকায় উল্লেখিত উৎপাদন সক্ষমতা: বছরে ১৪ লাখ ডজন
  • তালিকাভুক্ত যন্ত্রের সংখ্যা: ৪৫০

সূত্র: BGMEA-এর সদস্যতথ্য—Wisdom Attires Ltd.

এগুলো সংগঠনের সদস্যতালিকায় প্রকাশিত তথ্য; বর্তমান উৎপাদন বা বাস্তব রপ্তানির পরিমাণ হিসেবে এগুলোকে ধরে নেওয়া যাবে না।

প্রতিষ্ঠানটির উৎপাদন সক্ষমতার সঙ্গে প্রকৃত উৎপাদন, কাঁচামাল আমদানি এবং রপ্তানির তুলনা অনুসন্ধানের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হতে পারে। উদাহরণস্বরূপ, বছরে ১৪ লাখ ডজন উৎপাদন সক্ষমতার তথ্য থাকলে নির্দিষ্ট অর্থবছরে প্রকৃত উৎপাদন কত ছিল, তার জন্য কত পরিমাণ সুতা, কাপড়, রং ও অন্যান্য উপকরণ ব্যবহৃত হয়েছে এবং সেই উৎপাদনের কতটা রপ্তানি হয়েছে— তা নথি দিয়ে যাচাই করা প্রয়োজন।

তবে এসব তথ্যের ভিত্তিতে কোনো অসংগতি আছে বলে আগাম সিদ্ধান্ত দেওয়া যায় না। উৎপাদন সক্ষমতা ও প্রকৃত উৎপাদন এক বিষয় নয়; আবার আমদানি, উৎপাদন ও রপ্তানির সময়ের ব্যবধানও হিসাবের পার্থক্য তৈরি করতে পারে।

উইজডম এটায়ারসের বন্ড লাইসেন্স নম্বর হিসেবে প্রকাশ্য তালিকায় 645/CUS-SBW/88 পাওয়া গেছে। লাইসেন্সটির বর্তমান অবস্থা, সংশ্লিষ্ট অর্থবছরের আমদানি-রপ্তানি এবং অডিটের ফল কমিশনারেটের নথি থেকে যাচাই করা প্রয়োজন।

জাস অ্যাপারেলস: পরিচয় ও লাইসেন্সের পাশাপাশি কী তথ্য যাচাই করতে হবে?

মেসার্স জাস অ্যাপারেলস প্রাইভেট লিমিটেড সম্পর্কে এই অনুসন্ধানে নির্ভরযোগ্য প্রকাশ্য সূত্র থেকে প্রতিষ্ঠানভিত্তিক আমদানি-রপ্তানির পরিমাণ, কাঁচামালের বিবরণ কিংবা সর্বশেষ বন্ড অডিটের ফল নিশ্চিত করা যায়নি।

এ অবস্থায় প্রতিষ্ঠানের বন্ড লাইসেন্স নম্বর, বর্তমান কার্যকর অবস্থা, অনুমোদিত উৎপাদন কার্যক্রম এবং গত পাঁচ অর্থবছরের আমদানি-রপ্তানির বিবরণ সংগ্রহ করা প্রয়োজন।

বিশেষ করে আমদানিকৃত কাপড়, সুতা, আনুষঙ্গিক উপকরণ বা অন্যান্য কাঁচামাল কী পরিমাণে উৎপাদনে ব্যবহৃত হয়েছে, কী পরিমাণ রপ্তানির সঙ্গে সমন্বিত হয়েছে এবং কোনো অবশিষ্ট মজুত থাকলে তার হিসাব কী— এসব প্রশ্নের উত্তর ছাড়া প্রতিষ্ঠানটির বন্ড সুবিধা ব্যবহারের বিষয়ে সিদ্ধান্তে পৌঁছানো সম্ভব নয়।

তিন প্রতিষ্ঠানের তুলনামূলক হিসাব: কোন তথ্য এখনো প্রয়োজন?

অনুসন্ধানের বিষয় জাস অ্যাপারেলস নায়াগ্রা একসেসরিজ উইজডম এটায়ারস
বন্ড লাইসেন্স নম্বর নিশ্চিত করা প্রয়োজন 244/CUS-PBW/2004 645/CUS-SBW/88
কাঁচামাল আমদানির বার্ষিক মূল্য প্রকাশ্য নথিতে নিশ্চিত নয় প্রকাশ্য নথিতে নিশ্চিত নয় প্রকাশ্য নথিতে নিশ্চিত নয়
রপ্তানির বার্ষিক মূল্য প্রকাশ্য নথিতে নিশ্চিত নয় প্রকাশ্য নথিতে নিশ্চিত নয় প্রকাশ্য নথিতে নিশ্চিত নয়
আমদানিকৃত পণ্যের HS কোড কাস্টমস নথি প্রয়োজন কাস্টমস নথি প্রয়োজন কাস্টমস নথি প্রয়োজন
উৎপাদন ও কাঁচামাল ব্যবহারের হিসাব কারখানা ও বন্ড নথি প্রয়োজন কারখানা ও বন্ড নথি প্রয়োজন কারখানা ও বন্ড নথি প্রয়োজন
বন্ড অডিটের ফল কমিশনারেটের নথি প্রয়োজন কমিশনারেটের নথি প্রয়োজন কমিশনারেটের নথি প্রয়োজন
অনিষ্পন্ন শুল্ক-কর দাবি যাচাই করা হয়নি যাচাই করা হয়নি যাচাই করা হয়নি

বন্ড কমিশনারেটের সামগ্রিক হিসাব কেন গুরুত্বপূর্ণ?

ঢাকা দক্ষিণ কাস্টমস বন্ড কমিশনারেটের প্রকাশ্য পরিসংখ্যানে মোট ৪,১৯৬টি বন্ড লাইসেন্সের মধ্যে ১,৬৩৭টি সক্রিয় এবং ২,৫৫৯টি নিষ্ক্রিয় হিসেবে দেখানো হয়েছে। তালিকায় Direct Export Bond, Deemed Bond, Export Processing Bond এবং অন্যান্য শ্রেণির লাইসেন্স রয়েছে।

সূত্র: ঢাকা দক্ষিণ বন্ড কমিশনারেটের লাইসেন্সসংক্রান্ত পরিসংখ্যান

এটি কমিশনারেটের সামগ্রিক পরিসংখ্যান। তিন আলোচিত প্রতিষ্ঠানের লাইসেন্সের বর্তমান অবস্থা এই মোট সংখ্যার ভিত্তিতে নির্ধারণ করা যাবে না। পৃথক লাইসেন্স রেকর্ড যাচাই করা আবশ্যক।

এদিকে ২০২৬ সালের ২৮ সেপ্টেম্বর ঢাকা দক্ষিণ বন্ড কমিশনারেটে BGMEA-এর প্রতিনিধিত্বে UD Verification and Support Committee-এর বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। BGMEA-এর প্রকাশিত বিবরণে HS কোডবিহীন UD এবং পণ্য সরবরাহের বিপরীতে UD যাচাইয়ের বিষয়ে আলোচনা হওয়ার কথা বলা হয়েছে।

সূত্র: BGMEA-এর ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬-এর বৈঠকসংক্রান্ত প্রতিবেদন

এই বৈঠক বন্ড ব্যবস্থায় নথি যাচাইয়ের গুরুত্ব তুলে ধরে। তবে এর সঙ্গে জাস অ্যাপারেলস, নায়াগ্রা একসেসরিজ বা উইজডম এটায়ারসের কোনো নির্দিষ্ট অনিয়মের যোগসূত্র প্রতিষ্ঠিত হয়নি।

আমদানি-রপ্তানির হিসাব পেতে যেসব নথি সংগ্রহ জরুরি

এই তিন প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে প্রকৃত অনুসন্ধান এগিয়ে নিতে ঢাকা দক্ষিণ বন্ড কমিশনারেট, এনবিআর, কাস্টমস এবং প্রয়োজনে EPB ও BGMEA থেকে নিচের তথ্য সংগ্রহ করা প্রয়োজন:

১. ২০২১–২২ থেকে ২০২৫–২৬ অর্থবছর পর্যন্ত প্রতিষ্ঠানভিত্তিক আমদানি ঘোষণা বা Bill of Entry-এর সংখ্যা, পণ্যের বিবরণ, HS কোড, পরিমাণ ও মূল্য।

২. একই সময়ের রপ্তানি ঘোষণা বা Bill of Export-এর সংখ্যা, পণ্যের পরিমাণ ও মূল্য।

৩. বন্ড সুবিধায় আমদানিকৃত কাঁচামালের অনুমোদিত পরিমাণ, বাস্তব ব্যবহার, অবশিষ্ট মজুত এবং রপ্তানির সঙ্গে সমন্বয়ের হিসাব।

৪. প্রতিষ্ঠানগুলোর UD বা UP, Master LC এবং সংশ্লিষ্ট রপ্তানি নথির সমন্বিত বিবরণ।

৫. সর্বশেষ বন্ড অডিট, পরিদর্শন প্রতিবেদন, অডিট আপত্তি এবং অনিষ্পন্ন শুল্ক-কর দাবির তথ্য।

৬. কোনো প্রতিষ্ঠানকে শোকজ বা দাবিনামা দেওয়া হয়ে থাকলে তার কারণ, অর্থের পরিমাণ, প্রতিষ্ঠানের জবাব এবং নিষ্পত্তির অবস্থা।

এনবিআরের প্রকাশনা বিভাগে মাসভিত্তিক IM-7 Bond আমদানি বিবরণী পাওয়া যায়। তবে এ ধরনের সামগ্রিক পণ্যভিত্তিক তথ্য একা দিয়ে তিন প্রতিষ্ঠানের পৃথক আমদানি-রপ্তানির পূর্ণ হিসাব নির্ধারণ করা যাবে না। প্রতিষ্ঠানভিত্তিক কাস্টমস রেকর্ড প্রয়োজন।

সূত্র: এনবিআরের কাস্টমস প্রকাশনা

শুধু অভিযোগ নয়, নথির ভিত্তিতে জবাবদিহি প্রয়োজন

জাস অ্যাপারেলস প্রাইভেট লিমিটেড, নায়াগ্রা একসেসরিজ ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড ও উইজডম এটায়ারস লিমিটেডের ক্ষেত্রে অনুসন্ধানের মূল প্রশ্ন— বন্ড সুবিধায় আমদানি করা কাঁচামাল, প্রকৃত উৎপাদন, রপ্তানি এবং অবশিষ্ট মজুতের হিসাব কতটা সামঞ্জস্যপূর্ণ।

প্রকাশ্য সূত্রে নায়াগ্রা একসেসরিজ ও উইজডম এটায়ারসের কিছু পরিচিতি ও লাইসেন্সসংক্রান্ত তথ্য পাওয়া গেলেও, তিন প্রতিষ্ঠানের তুলনাযোগ্য আমদানি-রপ্তানি মূল্য, কাঁচামাল ব্যবহারের হিসাব এবং অডিটের ফল এখনো নিশ্চিত করা যায়নি।

অতএব, এই পর্যায়ে কোনো প্রতিষ্ঠানকে চূড়ান্তভাবে রাজস্ব ফাঁকির দায়ে অভিযুক্ত করা সমীচীন হবে না। বরং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে নথি চাওয়া, প্রাপ্ত তথ্যের অর্থবছরভিত্তিক তুলনা করা এবং প্রতিষ্ঠানগুলোর বক্তব্য নেওয়াই হবে পরবর্তী অনুসন্ধানের ভিত্তি।

ফলোআপ নিউজের প্রশ্ন: বন্ড সুবিধায় আমদানি করা কাঁচামালের প্রতিটি চালান কি উৎপাদন ও রপ্তানির নথির সঙ্গে যথাযথভাবে সমন্বিত হচ্ছে? ঢাকা দক্ষিণ বন্ড কমিশনারেটের নথিই পারে এই তিন প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে সেই প্রশ্নের নির্ভরযোগ্য উত্তর দিতে।


পড়তে পারেন

ওসমান পরিবারের উত্থান, পতন

খুনের আলোচনায় খেলার ক্লাব