পৌর মেয়রের গুলিতে সাংবাদিক নিহত, সাড়া নেই ফেসবুকে

follow-upnews
0 0

জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মিরুর এক ভাইয়ের নেতৃত্বে ছাত্রলীগ নেতা বিজয় মাহমুদকে মারধরের জের ধরে বৃহস্পতিবার বিকালে ওই সংঘর্ষ হয় যেখানে সাংবাদিক হিসেবে শিমূল উপস্থিত হয়েছিলেন ।

শাহজাদপুর সরকারি কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতি বিজয় মাহমুদকে মারধর করলে তার কর্মী-সমর্থকরা মেয়র মিরুর বাড়ি ঘেরাও করে।

মেয়র পুলিশ ডেকে এনে অবরুদ্ধকারীদের লাঠিপেটা করায়। এরপর সে এবং তার ভাই শর্টগান থেকে গুলি ছোড়ে বলে সংবাদে প্রকাশ পেয়েছে।

“পুলিশ বিজয়ের লোকদের লাঠিপেটা করার পরপরই মেয়রের বাড়ি থেকে প্রথমে মেয়রের ভাই মিন্টু এবং পরে মেয়র নিজে শটগান নিয়ে বের হন। অস্ত্র ছিল তিনজনের হাতে, অন্যরা লাঠি নিয়ে বের হয়।” -এটি জনতার ভাষ্য।

ঘটনাটি গুরুতর। একজন পৌর মেয়র ঘটনাস্থলে পুলিশ থাকা সত্ত্বেও বাড়ি থেকে গুলি ছুড়েছেন, এবং একজনকে হত্যা করেছেন। ঘটনাটি নিরবে নিভে যাওয়ার বিষয় নয় কোনোভাবেই। অন্যান্য অনেক ঘটনার মত এটিও ফেসবুকে হট টক হওয়া দরকার ছিল। যদিও খুব বেশি তা হয়নি। ফেসবুকে আওয়াজ তুলে বিষয়টিরে সুষ্ঠু তদন্ত এবং বিচার দাবী করে নাগরিক হিসেবে আমাদের কর্তব্য।

 

Next Post

ডাইনি ভেবে ফেলে আসা শিশুটি এখন স্কুলে যায়

ডাইনি মনে করে ছেলেটিকে পরিত্যক্ত স্থানে ফেলে এসেছিল পিতা-মাতা। ছেলেটি পড়েছিল আস্তাকুড়েই। ময়লা কুড়িয়ে খাচ্ছিল। পোকা-মাকড় দুর্গন্ধ জড়িয়েছিল শিশুটির গায়। এক বছর আগের কথা। এনজা রিংগ্রেন লোভেন তখন নাইজেরিয়ায় ছিলেন মানবাধিকার কর্মী হিসেবে। তিনি শিশুটিকে তুলে নিয়েছিলেন।     এখন সে স্কুলে পড়ে। সুস্থ স্বাস্থ্যবান একটি শিশু এখন হোপ।   […]

এগুলো পড়তে পারেন