আজম খান । বিষয় অভিজিৎ রায় হত্যাকাণ্ড
কার কাছে প্রতিবাদ জানাবো? বিচার দিব? বিচার-ই তো হয় না।
কার কাছে প্রতিবাদ জানাবো? বিচার দিব? বিচার-ই তো হয় না।
আমার ঢাবি ক্যাম্পাসটাতেই কেন বারবার এমন নৃশংসতাগুলো সংঘটিত হচ্ছে! মানুষ হত্যা করে, কীভাবে শান্তি প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব; আমার এটা কোনভাবেই বোধগম্য নয়! ধিক্কার জানাই এরকম নৃশংস হত্যাকান্ডের, ধিক্কার ঘৃণিত হত্যাকারীদের! ভিন্নমতের কারো কন্ঠস্বর স্তব্ধ করে দেওয়া মানে ভিন্নমতের কন্ঠরোধ করা নয়; বরং সেই ভিন্নমতের প্রতিষ্ঠায় সহযোগিতা করা! ভিন্নমতকে যুক্তিতর্কের মাধ্যমে হারাতে হয়, কুপিয়ে হত্যা করে…
অভিজিতের খুনীরা পুলিশের চোখের সামনে পালিয়েছে। পুলিশ কি ইচ্ছে করেই ওদের ধরেনি? পুলিশ হয়তো ইচ্ছে করেই ওদের ধরেনি। কিছু পুলিশ নাকি দেখেওছে যখন অভিজিৎকে কোপাচ্ছে দুটো ইসলামী সন্ত্রাসী, ভেবেছে ছেলেরা ছেলেরা মারামারি করছে। পুলিশ গত বছর থেকে জানতো আনসারুল্লাহ বাংলা টিমের হিটলিস্টে অভিজিৎ রায়ের নাম চার নম্বরে। ওই টিমের প্রধান জসীমুদ্দিন রাহমানী প্রচুর ছেলের মগজধোলাই…
দ্বিমত মানেই যে বিরোধিতা নয় এ সত্য কে বোঝাবে ছাগল সম্প্রদায়কে? যৃুক্তি মানেই যে হেয় করা নয় কে উপলব্দি করাবে এ সত্যকে? সত্য মানেই যে তুমি যা বোঝ কেবল সেটাই নয়, কে মানাবে জানোয়ারগুলোকে? ব্রুনোর মৃত্যুর অনেক বছর পরে হলেও খ্রিষ্টান সম্প্রদায় ভুল স্বীকার করেছিল। এ কুত্তাগুলোর আগামী সত্তর প্রজন্মও তো স্বীকার করবেনা যে নরহত্যা…
যার কলম আছে, সে মরার পরও বেঁচে থাকে। কলম হারিয়ে গেলে আর বেঁচে থাকা যায় না। ব্লগার অভিজিৎ রায় তার কলমের মাঝেই বেঁচে থাকবেন। তার হাত ধরে প্রগতির যে কলম চলছে তা অবিনশ্বর। রাশিদুল হাসান অপি
ওদের আপনি চিনতে পারবেন না। অন্তরে সমুদ্র সমান গরল নিয়ে মুখে মধু ছিটিয়ে ওরা আপনার সাথে কথা বলবে। হয়ত আপনার পাশেই রয়েছে আপনার ভবিষ্যত খুনি। দেখুন, অনুভূতিতে আঘাত লাগলে ওরা মারতে চায় এটা একেবারেই ভুল ধারণা। অনুভূতি থাকলে না অনুভূতিতে আঘাত লাগবে। ওদের কি আসলে কোনো অনুভূতি আছে? প্রশ্ন হচ্ছে, তাহলে ওরা মারে কেন? তিনটি…
২০০৭ সালে বন্যা আহমেদের একটি বই আমি পড়েছিলাম। ‘বিবর্তনের পথ ধরে’ বইটিতে উনি খুব সহজ ভাষায় বিবর্তনবাদ ব্যাখ্যা করেছেন। অভিজিৎ রায়কে চিনেছি আরো পরে। ‘আলো হাতে চলিয়াছে আঁধারের যাত্রী’ বইটি পড়ে। মুক্তমনায় আমার বিচরণ ছিল। মুক্তমনায় কখনো রেফারেন্স ছাড়া কিছু লেখা হত না। আজগুবি কিছু লেখা হত না। অভিজিৎ রায় এবং বন্যা আহমেদ, দুজনই প্রকৌশল…
জনগণের মধ্য থেকে দেশ-সামজ-রাজনীতি নিয়ে ভাবছে এমন লোকদের খুঁজে খুঁজে বের করে একেবারে তৃণমূলে গিয়ে কাজ করতে হবে। শুধু শাহবাগে বসে ‘যুদ্ধাপরাধীরে বিচার চাই’ বলে সবটুকু লাভ হবে না, সে লাভ ক্ষণিকের, জনগণের জন্য রাষ্ট্র গঠনের চেষ্টা করতে চাইলে দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা নিয়ে মাঠে নামতে হবে।