Headlines
বাগেরহাট

১৯৭১-এর মুক্তিযুদ্ধকালীন সৈয়দ অজিয়র রহমানকে ছাড়িয়ে আনতে চেষ্ট করেছিল শেখ কামরুজ্জামান টুকুর বাহিনী

বাগেরহাট সংগ্রাম কমিটির আহ্বায়ক শেখ আব্দুর রহমান দেশ ত্যাগের পর যুগ্ম-আহ্বায়ক হিসেবে সৈয়দ অজিয়র রহমান বাগেরহাটের উপরে তার নিয়রন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। মুক্তিযোদ্ধারাই ছিল তার ক্ষমতার উৎস। তার দক্ষ নেতৃত্বের ফলে বাগেরহাটের মুক্তিযোদ্ধারা বিশেষভাবে ক্ষমতাধর হয়ে উঠেছিল, স্বাধীনতা শক্তির নিকট তা অজানা ছিল না। তাই ডা: মোজাম্মেল হক এবং তার সহযোগীরা সৈয়দ অজিয়র রহমানকে পাকিস্তানী বাহিনীর…

Read More
একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটি

ডাকরা গণহত্যা দিবসে শহীদদের স্মরণে সভা করেছে একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটি

২১ মে ১৯৭১, শুক্রবার (৬ই জ্যৈষ্ঠ ১৩৭৮) বাগেরহাটের কুখ্যাত রাজাকার রজ্জব আলী ফকিরের বাহিনী রামপাল উপজেলার পেড়িখালী ইউনিয়নের ডাকরা গ্রামে ব্যাপক গণহত্যা চালায়। বক্তার তাদের বক্তব্যে গণহত্যাকে ইতিহাসের বর্বরতম বিষয় উল্লেখ করে বলেন, যাতে কখনো পৃথিবীর কোথাও আর গণহত্যা সংগঠিত না হয় এজন্য গণহত্যা নিয়ে আমাদের গবেষণা, শোকসভা, স্মরণসভা পালন করতে হবে। ঘৃণ্য সেই হত্যার…

Read More
১৯৭১

বাঁচার জন্য মুসলিম হওয়ার পরও ১৯৭১ সালে পরিবারটিকে হত্যা করা হয়

১০ অক্টোব রবিবার, ২২ শে আশ্বিন গভীর রাতে বাগেরহাট রাজাকার বাহিনীর অর্ধশতাধিক সদস্য সিরাজ মাষ্টারের নেতৃত্বে বৈটপুর হিন্দুপাড়ায় আক্রমণ চালায়। এই গ্রামের হরিশ গুহ ওরফে কালু গুহ ছিলেন একজন প্রভাবশালী ব্যক্তি। যুদ্ধের সময়ে আত্মরক্ষার কৌশল হিসেবে বাগেরহাট বাসাবাড়ির মওলানা সাহেবের নিকট গিয়ে আপন জ্ঞাতি গোষ্ঠীসহ কালেমা পড়ে মুসলমান হয়েছিলেন তারা সবাই। রাজাকার বাহিনীর একটি গ্রুপ…

Read More
বীরঙ্গনা

১৯৭১ সালে যে কয়জন নারী জীবন বাজি রেখে পাকিস্তানী এবং রাজাকার বাহিনীর সাথে যুদ্ধ করেছেন তাদের মধ্যে তিনি অন্যতম

‘‘শুধু জীবনটা ছাড়া আর সবই হারিয়েছি। মাত্র নয় মাসে দেশ স্বাধীন এমনি এমনি হয় নাই। এর পিছনে অনেক ইতিহাস, অনেক বেদনা লুকানো আছে। আমরা কী পেয়িছি, যা হারিয়েছি তার তুলনায় কিছুই না, কিন্তু অন্তত স্বীকৃতিটা দিতে সরকার কেন কার্পণ্য করে!” এভাবেই নিজের কষ্টের কথা জানান মুক্তিযোদ্ধা হালিমা খাতুন৷ নির্মূল কমিটির পক্ষ থেকে জীবীত এই কিংবদন্তী…

Read More
খুলনা

গণহত্যা নির্যাতন ও আর্কাইভ জাদুঘরের আয়োজন: শিশুরা ১৯৭১ সম্পর্কে জানছে

১৯৭১ সালে এই ভূখণ্ডে সংগঠিত হয় নারকীয় গণহত্যা। পাকিস্তানী সেনাবাহিনী এবং তাদের এ দেশীয় দোসরদের দ্বারা ভয়ঙ্কর গণহত্যা সংগঠিত হয়। ১৯৭১ সালে যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে সংগঠিত পরিকল্পিত গণহত্যার ওপর সুসংগঠিতভাবে এ যাবত কোনো কাজ হয়নি।    বিশিষ্ট ইতিহাসবিদ অধ্যাপক মুনতাসীর মামুনের নেতৃত্বে ২০১৪ সালের ১৭ মে খুলনা নগরীর ৩৩৪ নম্বর শেরে বাংলা রোডের ময়লাপোতা মোড়ে একটি…

Read More
ফরিতা আক্তার বানু লুচি

শহীদস্মৃতি লাইব্রেরি এবং সাংস্কৃতিক কেন্দ্রে বই প্রদান করছেন সাবেক এমপি মীর সাখাওয়াত আলী দারু

ঘটনাস্থাল: শাখারীকাঠী গ্রাম, বাধাল ইউনিয়ন, কচুয়া উপজেলা, বাগেরহাট জেলা। সময়: ৫ নভেম্বর, ১৯৭১ ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের শেষ পর্যায়ে রাজাকারেরা শাখারীকাঠী বাজারে একটি গণহত্যা সংগঠিত করে। দীর্ঘদিন অযত্নে অবহেলায় ছিল গণহত্যার স্থানটি। বর্তমানে সেখানে একটি স্মৃতিসৌধ নির্মিত হয়েছে। গত ৫ নভেম্বর ২০১৮ সিদ্ধান্ত হয়েছে যে, গণহত্যার এই স্থানটি হতে নিকটতম জায়গায় একটি লাইব্রেরি এবং সাংস্কৃতিক কেন্দ্র…

Read More
শাখারীকাঠী গণহত্যা

অনিল কৃষ্ণ দাস কে রাজাকারেরা পিটিয়ে মেরেছিল বাড়ির পাশে মাঠে

ঘটনাস্থাল: রঘুদত্তকাঠী গ্রাম, বাধাল ইউনিয়ন, কচুয়া উপজেলা, বাগেরহাট জেলা। সময়: মে/জুন, ১৯৭১ পঙ্কজ দাসের পিতাকে রাজাকারেরা পিটিয়ে মেরেছিল বাড়ির পাশে মাঠে । সেদিন (মে/জুন মাস) পঙ্কজ দাসের পিতা অনিল কৃষ্ণ দাস বাড়ি পাশের মাঠে গিয়েছিলেন গরু আনতে। আশপাশের গ্রাম থেকে রাজাকারেরা এসেছিল গরু কেড়ে নিতে। গরু ছিনিয়ে নেওয়ার এক পর্যায়ে পঙ্কজ দাসের পিতা অনিল কৃষ্ণ…

Read More
অধ্যাপক মুনতাসীর মামুন

অধ্যাপক মুনতাসীর মামুন ‘র নেতৃত্বে ১৯৭১-এর গণহত্যা গবেষণায় উঠে আসছে নতুন নতুন তথ্য, ইতিহাসের পাতায় যুক্ত হচ্ছে সত্য

স্বাধীনতা যুদ্ধে বাংলাদেশের ৩০ লাখ মানুষ শহিদ হন৷ বহু গণহত্যা সংগঠিত হয়৷ সরাসরি যুদ্ধে নয়, তবে যুদ্ধের ফলে নিহত হয়েছেন এমন সংখ্যা ধরলে সেটি হয়ত ৫০ লাখ ছাড়িয়ে যাবে। ছোট্ট একটি দেশে মাত্র নয় মাসে এত মানুষকে হত্যা করতে হলে কতটা ভয়াবহ তাণ্ডব চালাতে হয়, তা সহজেই অনুমেয়। এত বড় গণহত্যা পাকিস্তানী বাহিনী এবং তাদের…

Read More