Headlines
রবীন্দ্র প্রতিভা

অধ্যাপক আজমদের প্রাতিষ্ঠানিক এবং দুরভিসন্ধিমূলক অশিক্ষা বনাম রবীন্দ্রনাথের রাষ্ট্র এবং সমাজ ভাবনা

আমি এখানে ‘আজমদের’ বলেছি সচেতনভাবে। ওনারা একটি চক্র— অবশেষে তারা এ দায়িত্বও নিয়েছেন যে, রবীন্দ্রনাথকেও যেকোনো মূল্যে ছোট করতে হবে, এবং বাংলাদেশী বাঙালিদের মন থেকে রবীন্দ্রনাথকে তাড়াতে হবে। অর্থাৎ, মোহাম্মদ আজমরা সাগর সেঁচতে বসেছেন প্রাতিষ্ঠানিকভাবে অশিক্ষিত ভোঁতা কলম নিয়ে। ফলোআপ নিউজ প্রথমত অধ্যাপক আজমের অজ্ঞতাপ্রসূত এবং উদ্দেশ্যমূলক বলে প্রতীয়মান এ বক্তব্যের প্রতিবাদ করছে। এবং একইসাথে…

Read Full News
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

অনেক কথা যাও যে বলে

অনেক কথা যাও যে ব’লে কোনো কথা না বলি। তোমার ভাষা বোঝার আশা দিয়েছি জলাঞ্জলি॥ যে আছে মম গভীর প্রাণে  ভেদিবে তারে হাসির বাণে, চকিতে চাহ মুখের পানে তুমি যে কুতূহলী। তোমারে তাই এড়াতে চাই, ফিরিয়া যাই চলি॥ আমার চোখে যে চাওয়াখানি ধোওয়া সে আঁখিলোরে– তোমারে আমি দেখিতে পাই, তুমি না পাও মোরে। তোমার মনে…

Read Full News
দক্ষিণডিহি

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের শশুর বাড়িটি যেমন ছিল এবং সংস্কারের পরে যেমন হয়েছে

  দক্ষিণডিহি রবীন্দ্র কমপ্লেক্স, বাড়িটি এবং চারপাশের স্থান মিলে এ কমপ্লেক্স (সংস্কারের পরে এ নামকরণ করা হয়েছে) বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের স্মৃতি বিজড়িত একটি স্থান, যা খুলনা বিভাগের ফুলতলা উপজেলার দক্ষিণডিহি গ্রামে অবস্থিত। খুলনা-যশোর রোডের পাশ্ববর্তী স্থানে পড়েছে এ গ্রামটি। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের শ্বশুরবাড়ি এটি।কোলকাতার জোড়া সাঁকোর বিখ্যাত ঠাকুর পরিবারের সঙ্গে দক্ষিণ ডিহির সম্পর্ক এ কারণে নিবিড়। আরো যেটি গুরুত্বপূর্ণ—রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের মা সারদা সুন্দরী…

Read Full News
রবীন্দ্রনাথ

রবীন্দ্রনাথের গান: জীবনমরণের সীমানা ছাড়ায়ে …

জীবনমরণের সীমানা ছাড়ায়ে, বন্ধু হে আমার, রয়েছ দাঁড়ায়ে ॥ এ মোর হৃদয়ের বিজন আকাশে তোমার মহাসন আলোতে ঢাকা সে, গভীর কী আশায় নিবিড় পুলকে তাহার পানে চাই দু বাহু বাড়ায়ে ॥ নীরব নিশি তব চরণ নিছায়ে আঁধার-কেশভার দিয়েছে বিছায়ে। আজি এ কোন্‌ গান নিখিল প্লাবিয়া তোমার বীণা হতে আসিল নাবিয়া! ভুবন মিলে যায় সুরের রণনে,…

Read Full News
চরণ ধরিতে

চরণ ধরিতে দিয়ো গো আমারে—

চরণ ধরিতে দিয়ো গো আমারে—              নিয়ো না, নিয়ো না সরায়ে।           জীবন মরণ সুখ দুখ দিয়ে             বক্ষে ধরিব জড়ায়ে।           স্খলিত শিথিল কামনার ভার           বহিয়া বহিয়া ফিরি কত আর—            নিজ হাতে তুমি গেঁথে নিয়ো হার,                ফেলো না আমারে জড়ায়ে।           বিকায়ে বিকায়ে দীন আপনারে           পারি না ফিরিতে দুয়ারে দুয়ারে—            তোমার করিয়া নিয়ো গো আমারে                বরণের মালা পরায়ে।। রচনাকাল (বঙ্গাব্দ): ৩ জ্যৈষ্ঠ, ১৩২১ রচনাকাল (খৃষ্টাব্দ): ১৯১৪

Read Full News
পড়ুক ঝড়ে পড়ুক ঝড়ে

রবীন্দ্র সঙ্গীত: “শ্রাবণের ধারার মতো পড়ুক ঝরে “

শ্রাবণের ধারার মতো পড়ুক ঝরে, পড়ুক ঝরে তোমারি সুরটি আমার মুখের ‘পরে, বুকের ‘পরে ॥ পুরবের আলোর সাথে পড়ুক প্রাতে দুই নয়ানে– নিশীথের অন্ধকারে গভীর ধারে পড়ুক প্রাণে। নিশিদিন এই জীবনের সুখের ‘পরে দুখের ‘পরে শ্রাবণের ধারার মতো পড়ুক ঝরে, পড়ুক ঝরে। যে শাখায় ফুল ফোটে না, ফল ধরে না একেবারে, তোমার ওই বাদল-বায়ে দিক…

Read Full News

এখনও রবীন্দ্রনাথ ।। বলাই দাস

‘যখন পড়বে না মোর পায়ের চিহ্ন এই বাটে, আমি বাইবো না মোর খেয়া তরী এই ঘাটে গো’—আজ বাইশে শ্রাবণ। কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ৭৫তম মহাপ্রয়াণ দিবস। আজকের দিনে কবিকে কবিতায় স্মরণ করেছেন বলাই দাস। এখনও রবীন্দ্রনাথ চেয়েছিলে তুমি জন্ম নিতে কালিদাশের কালে জীবনতরী বইয়ে দিলে মন্দ্রাক্রান্তা তালে। দার্শনিক কবি, মনুষ্যত্বের চুয়াচন্দন ছোঁয়াও লেখনিতে বাংলা ভাষার প্রেমানন্দের…

Read Full News