কক্সবাজার জেলা প্রশাসনের সরকারি পোর্টালে হোটেল ও আবাসন হিসেবে একাধিক প্রতিষ্ঠানের তালিকা রয়েছে। এর মধ্যে কলাতলী, সুগন্ধা ও লাবণী এলাকার বহু প্রতিষ্ঠান সৈকতসংলগ্ন পর্যটন অঞ্চলে অবস্থিত। সরকারি তালিকার পাশাপাশি বর্তমান ঠিকানা-তথ্য মিলিয়ে নিচের প্রতিষ্ঠানগুলোকে জমির মালিকানা, দাগ-খতিয়ান, বন্দোবস্ত, ভূমি-ব্যবহার ও নির্মাণ অনুমোদন যাচাইয়ের আওতায় আনা যেতে পারে।
কক্সবাজার সৈকতসংলগ্ন প্রতিষ্ঠান— প্রাথমিক অনুসন্ধান তালিকা
১. লং বিচ হোটেল — ১৪, কলাতলী, হোটেল-মোটেল জোন, কক্সবাজার।
২. হোটেল দ্য কক্স টুডে — প্লট-৭, রোড-২, হোটেল-মোটেল জোন, কলাতলী, কক্সবাজার।
৩. ওশেন প্যারাডাইস হোটেল অ্যান্ড রিসোর্ট — ২৮-২৯, হোটেল-মোটেল জোন, কলাতলী রোড, কক্সবাজার।
৪. সায়েমান বিচ রিসোর্ট — মেরিন ড্রাইভ রোড, কলাতলী, কক্সবাজার।
৫. হোটেল সি-ক্রাউন — মেরিন ড্রাইভ/নিউ বিচ রোড, কক্সবাজার।
৬. হোটেল সিগাল — হোটেল-মোটেল জোন, কক্সবাজার।
৭. অ্যালবাট্রস রিসোর্ট — কলাতলী রোড, কক্সবাজার।
৮. হোটেল কল্লোল — লাবণী বিচ পয়েন্ট/হোটেল-মোটেল জোন, কক্সবাজার।
৯. হোটেল কোরাল রীফ — কলাতলী, কক্সবাজার।
১০. মারমেইড ইকো রিসোর্ট — কক্সবাজার; সরকারি তালিকায় ৫০ কক্ষের প্রতিষ্ঠান হিসেবে রয়েছে।
১১. হোটেল সী গার্ল — কক্সবাজার; সরকারি তালিকায় ১৮০ কক্ষ।
১২. রিগ্যাল প্লাস — কক্সবাজার।
১৩. সী কক্স রিসোর্ট — কক্সবাজার।
১৪. কক্স ভিউ রিসোর্ট — কক্সবাজার।
১৫. সী হিল গেস্ট হাউস — কক্সবাজার।
১৬. হোটেল মিশু — হোটেল-মোটেল জোন/সি বিচ রোড, কক্সবাজার।
১৭. উর্মি গেস্ট হাউস — কক্সবাজার।
১৮. গ্ল্যাক্সী রিসোর্ট — কক্সবাজার।
১৯. হানিমুন রিসোর্ট — কক্সবাজার।
২০. হোটেল সামস প্লাজা — কক্সবাজার।
২১. হোটেল সী পার্ক — কক্সবাজার।
২২. ইকরা বিচ রিসোর্ট — কক্সবাজার।
২৩. ডায়মন্ড প্যালেস — কক্সবাজার।
২৪. জিয়া গেস্ট ইন — কলাতলী রোড, কক্সবাজার।
২৫. সেন্টমার্টিন রিসোর্ট — প্লট-১০, ব্লক-A, কলাতলী রোড, কক্সবাজার।
২৬. রিসোর্ট বিচ ভিউ — প্লট-১০, ব্লক-C, কলাতলী মেইন রোড, কক্সবাজার।
২৭. নূর প্লাজা — কক্সবাজার; সরকারি তালিকায় ৬৫ কক্ষ।
২৮. সুগন্ধা গেস্ট হাউস — কক্সবাজার; সরকারি তালিকায় ৪৩ কক্ষ।
২৯. প্রিন্স হেভেন — কক্সবাজার।
৩০. ব্লু-মেরিন রিসোর্ট — কক্সবাজার।
৩১. সমুদ্র বিলাস — কক্সবাজার।
৩২. বিচ ক্যাম্প — কক্সবাজার।
৩৩. হোটেল সাগর পাড় — কক্সবাজার।
৩৪. রিয়াদ গেস্ট হাউস — কক্সবাজার।
৩৫. হোটেল স্বপ্ন প্রবাল — কক্সবাজার।
৩৬. শ্রাবণ বিলাস — কক্সবাজার।
৩৭. মেরিন পার্ক — কক্সবাজার; সরকারি ব্যবস্থাপনায়।
৩৮. হোটেল মিডিয়া ইন্টারন্যাশনাল — সি বিচ রোড, কক্সবাজার।
৩৯. নিটল বে রিসোর্ট — কলাতলী বিচ রোড, কক্সবাজার।
৪০. মোটেল প্রবাল — কক্সবাজার।
৪১. মোটেল উপল — কলাতলী রোড, কক্সবাজার।
৪২. হোটেল ডায়মন্ড প্যালেস অ্যান্ড গেস্ট হাউস — কলাতলী রোড, কক্সবাজার।
৪৩. হোটেল প্রাইম পার্ক — প্লট-৫৮, ব্লক-C, হোটেল-মোটেল জোন, কলাতলী।
৪৪. বিচ ওয়ে — হাউস-২১, ব্লক-C, কলাতলী রোড, কক্সবাজার।
৪৫. রয়্যাল বে রিগ্যাল প্যালেস — প্লট-৪৮, ব্লক-B, কলাতলী/সুগন্ধা পয়েন্ট।
৪৬. ইউনি রিসোর্ট — কলাতলী, কক্সবাজার।
৪৭. নিলিমা রিসোর্ট — সুগন্ধা পয়েন্ট, সৈকতসংলগ্ন এলাকা।
৪৮. বে টাচ — প্লট-৬৩, ব্লক-B, PWD হাউজিং, কলাতলী/সুগন্ধা পয়েন্ট।
৪৯. হোটেল এলাফ ইন্টারন্যাশনাল — প্লট-৫২, ব্লক-B, সুগন্ধা পয়েন্ট, কক্সবাজার।
৫০. ডিভাইন ইকো রিসোর্ট — হোটেল-মোটেল জোন-২, কলাতলী বিচ পয়েন্ট।
৫১. হোটেল অস্টার ইকো — প্লট-২, ব্লক-C, কলাতলী রোড।
৫২. হোটেল ভিস্তা বে — প্লট-৫০, সুগন্ধা পয়েন্ট, ব্লক-B।
৫৩. লাইটহাউস ফ্যামিলি রিট্রিট — হাউস-৮৪, ব্লক-A, PWD R/A, কলাতলী।
৫৪. ওয়াটার অর্কিড — প্লট-২৫, ব্লক-C, কলাতলী রোড।
৫৫. লাগুনা বিচ হোটেল অ্যান্ড রিসোর্ট — প্লট-৩৯, ব্লক-B, সুগন্ধা পয়েন্ট, কলাতলী।
৫৬. হোটেল ওশেন প্যালেস — ১৫/A, ব্লক-C, কলাতলী বিচ রোড।
৫৭. গ্রিন নেচার রিসোর্ট অ্যান্ড স্যুইটস — হোল্ডিং-১৫৭/A, সুগন্ধা বিচ পয়েন্ট রোড।
৫৮. হোটেল গ্যালাক্সি রিসোর্ট — প্লট-৬, ব্লক-A, কলাতলী রোড।
৫৯. হোটেল ওভিশার — লাবণী পয়েন্ট, সি বিচ রোড/হোটেল-মোটেল জোন।
৬০. হোটেল গোল্ডেন হিল — হাউস-৬৫, ব্লক-B, সুগন্ধা পয়েন্ট, কলাতলী রোড।
৬১. হোটেল সি শাইন — কক্সবাজার।
৬২. হোটেল সি পয়েন্ট — প্লট-২৫, ব্লক-A, কলাতলী রোড, লং বিচের বিপরীতে।
৬৩. হোটেল পিংক শোর — প্লট-২৬, ব্লক-B, সুগন্ধা বিচ পয়েন্ট।
৬৪. হোটেল গ্রিন প্যালেস — হাউস-৬১, ব্লক-A, রেসিডেনশিয়াল এরিয়া, কক্সবাজার।
৬৫. ইমপালস ওশেন ভিউ — প্লট-৬৯, ব্লক-A, হোটেল-মোটেল জোন।
৬৬. হোটেল কক্স রোটানা — কলাতলী মেইন রোড/মেরিন ড্রাইভ।
৬৭. হোটেল দ্য কক্স ভ্যালি — নিউ বিচ রোড, ব্লক-B, প্লট-৫৭, সুগন্ধা পয়েন্ট।
৬৮. রয়্যাল পার্ল স্যুইটস — লাইটহাউস এলাকা, কক্সবাজার।
৬৯. হোটেল রিয়াদা ইন্টারন্যাশনাল — ব্লক-B, প্লট-৩৭, সুগন্ধা পয়েন্ট।
৭০. হোটেল মেরিন প্লাজা — ব্লক-B, প্লট-১২, সুগন্ধা পয়েন্ট/কলাতলী মেইন রোড।
৭১. গ্র্যান্ড বিচ রিসোর্ট — ব্লক-A, প্লট-২৭, কলাতলী রোড।
৭২. হোটেল কোরাল রীফ আফরা — প্লট-৪৭, ব্লক-B, সুগন্ধা পয়েন্ট।
৭৩. ক্যাসল বে টাচ — প্লট-৬৩, ব্লক-B, PWD হাউজিং, কলাতলী/সুগন্ধা পয়েন্ট।
৭৪. হোটেল সি কক্স — প্লট-১৩, কলাতলী মেইন রোড, ব্লক-B।
৭৫. হিল টাওয়ার হোটেল অ্যান্ড রিসোর্ট — কলাতলী রোড।
৭৬. হোটেল গ্রীন নেচার — সুগন্ধা বিচ পয়েন্ট রোড।
৭৭. হোটেল সি-ওয়ার্ল্ড — হোটেল-মোটেল জোন/সি বিচ রোড।
৭৮. হোটেল স্যুট সাদাফ — মেরিন ড্রাইভ রোড, কলাতলী।
৭৯. এক্সোটিকা সাম্পান হোটেল অ্যান্ড রিসোর্ট — মেরিন ড্রাইভ, কলাতলী।
৮০. হোটেল সি-পার্ক — ব্লক-A, প্লট-৭, কলাতলী রোড।
৮১. মোহাম্মদিয়া গেস্ট হাউস — কলাতলী রোড।
৮২. হোটেল সি-ভিউ — ঝাউতলা, কক্সবাজার সদর।
৮৩. হোটেল সি-কুইন — মেইন রোড, কক্সবাজার।
৮৪. হোটেল শৈবাল — মোটেল রোড, কক্সবাজার।
৮৫. সিলভার শাইন হোটেল — ২৬, মোটেল রোড, কক্সবাজার।
৮৬. হোটেল হলিডে — ১, মোটেল রোড, কক্সবাজার।
৮৭. মোটেল লাবণী — মেইন রোড, কক্সবাজার।
৮৮. হোটেল সী কক্স রিসোর্ট — কলাতলী এলাকা।
৮৯. হোটেল মিশু — হোটেল-মোটেল জোন/সি বিচ রোড।
৯০. ফু ওয়াং ডমিনাস রিসোর্ট — সি বিচ রোড, লাবণী পয়েন্ট, কক্সবাজার সদর।
৯১. হোটেল সি-গাল — কলাতলী/হোটেল-মোটেল জোন।
৯২. প্রসাদ প্যারাডাইস হোটেল — হোটেল-মোটেল জোন, কক্সবাজার।
৯৩. হোটেল পিংক শোর — সুগন্ধা পয়েন্ট।
৯৪. হোটেল বে টাচ — PWD হাউজিং, কলাতলী/সুগন্ধা পয়েন্ট।
৯৫. মারমেইড ক্যাফে — ড্রাগন মার্টের কাছে, কলাতলী রোড, সুগন্ধা বিচ সি-ইন পয়েন্ট।
৯৬. ফ্লাই ডাইনিং কক্সবাজার — সুগন্ধা পয়েন্ট।
৯৭. সল্ট বিস্ত্রো অ্যান্ড ক্যাফে — ১০, কলাতলী, হোটেল-মোটেল জোন।
৯৮. পুষী হোটেল অ্যান্ড রেস্টুরেন্ট — ওয়ার্ল্ড বিচ রিসোর্ট, ডলফিন মোড়।
৯৯. সী ল্যাম্প বিচ রিসোর্ট অ্যান্ড রেস্টুরেন্ট — সি বিচ, কক্সবাজার।
১০০. হ্যান্ডি, কক্সবাজার শাখা — হোটেল ওভিশার, সি লাবণী পয়েন্ট, লাবণী বিচ রোড।
তালিকাটির উদ্দেশ্য
এই ১০০টি প্রতিষ্ঠানের নামকে ‘অবৈধ প্রতিষ্ঠান’ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়নি। তালিকাটি অনুসন্ধানের জন্য। বিশেষ করে যেসব প্রতিষ্ঠানের ঠিকানায় PWD Housing, PWD Residential Area, Hotel-Motel Zone, Sugandha Point, Laboni Point বা সরকারি সম্পত্তির সঙ্গে সংশ্লিষ্টতা পাওয়া যাচ্ছে, সেগুলোর ক্ষেত্রে জমির দাগ-খতিয়ান ও বরাদ্দের ইতিহাস আলাদাভাবে যাচাই করা জরুরি।
কারণ সরকারি পোর্টালে কোনো হোটেলের নাম থাকা কেবল প্রতিষ্ঠানটির অস্তিত্ব বা আবাসন ব্যবসার তথ্য দেয়; এটি জমির মালিকানা, বন্দোবস্তের বৈধতা কিংবা নির্মাণ অনুমোদনের প্রমাণ নয়।
সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অনুসন্ধান
এই তালিকার প্রতিটি প্রতিষ্ঠানের জন্য জেলা প্রশাসন ও ভূমি অফিস থেকে বের করতে হবে—
দাগ নম্বর → খতিয়ান নম্বর → জমির শ্রেণি → মালিকানা → বন্দোবস্ত/ইজারা → বন্দোবস্তের শর্ত → বর্তমান দখলদার → ভূমি-ব্যবহার অনুমোদন → নির্মাণ অনুমোদন।
এরপর গণপূর্তের জমি হলে PWD-এর রেকর্ড এবং উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের অনুমোদনের সঙ্গে মিলিয়ে দেখতে হবে।
এই ১০০ প্রতিষ্ঠানের মধ্যে যেগুলোর জমি সরকারি খাস, PWD বা অন্য সরকারি সংস্থার বলে নথিতে পাওয়া যাবে, সেগুলোই হবে পরবর্তী ধাপের মূল অনুসন্ধানের কেন্দ্র।
