Headlines

ওয়াটারএইড বাংলাদেশের জন্য ৪৫০ কোটি টাকার বাজেট অনুমোদন

WaterAid
২০২৬ সালের এপ্রিল থেকে ২০৩১ সালের মার্চ পর্যন্ত পাঁচ বছর মেয়াদে বাস্তবায়ন হবে ‘ওয়াটারএইড ফান্ডিং সাপোর্ট প্রোগ্রাম’


WaterAid
নিরাপদ পানি, স্বাস্থ্যসম্মত স্যানিটেশন ও স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিত করতে ২০২৬-২০৩১ মেয়াদে ওয়াটারএইড বাংলাদেশের জন্য ৪৫০ কোটি টাকার বাজেট অনুমোদন দিয়েছে এনজিও বিষয়ক ব্যুরো।

ঢাকা, ১৪ আগস্ট ২০২৬ (ফলোআপ নিউজ): বাংলাদেশে পানি, স্যানিটেশন ও স্বাস্থ্যবিধি (WASH) খাতে কাজ করা আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থা ওয়াটারএইড বাংলাদেশের জন্য মোট ৪৫০ কোটি টাকার বাজেট অনুমোদন করেছে এনজিও বিষয়ক ব্যুরো। অনুমোদিত এ বাজেটের মেয়াদ এপ্রিল ২০২৬ থেকে মার্চ ২০৩১ পর্যন্ত পাঁচ বছর।

ওয়াটারএইড বাংলাদেশের প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, অনুমোদিত অর্থের পুরো অংশই বিদেশি অনুদান হিসেবে ধরা হয়েছে। বছরভিত্তিক বরাদ্দ হলো—

  • ২০২৬-২৭: ১২৫ কোটি টাকা

  • ২০২৭-২৮: ১১০ কোটি টাকা

  • ২০২৮-২৯: ৮০ কোটি টাকা

  • ২০২৯-৩০: ৭০ কোটি টাকা

  • ২০৩০-৩১: ৬৫ কোটি টাকা

এভাবে পাঁচ বছরে মোট বরাদ্দ দাঁড়িয়েছে ৪৫০ কোটি টাকা। ওয়াটারএইড জানায়, কর্মসূচিটির মাধ্যমে বাংলাদেশে নিরাপদ পানি, স্বাস্থ্যসম্মত স্যানিটেশন এবং উন্নত স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিত করতে বিভিন্ন প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হবে। সংস্থাটি স্থানীয় সরকার, সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান ও অংশীদার এনজিওগুলোর সক্ষমতা বৃদ্ধির পাশাপাশি গবেষণা, উদ্ভাবন এবং নীতিগত সহায়তার ক্ষেত্রেও কাজ করবে।

সংস্থাটির তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশে এখনও প্রায় ২১ লাখ মানুষ ঘরের কাছাকাছি নিরাপদ পানির সুবিধা থেকে বঞ্চিত, প্রায় ৫ কোটি ৬৮ লাখ মানুষের কাছে শোভন টয়লেট নেই এবং প্রায় ২ কোটি মানুষের ঘরে হাত ধোয়ার সুবিধা নেই। এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় ওয়াটারএইড তাদের কর্মসূচিকে আরও বিস্তৃত করার পরিকল্পনা নিয়েছে। যদিও এই পরিসংখ্যান কোথা থেকে সংস্থাটি পেয়েছে স্পষ্ট নয়।

ওয়াটারএইড বাংলাদেশ ১৯৮৬ সাল থেকে দেশে কাজ করছে এবং এনজিও বিষয়ক ব্যুরোতে নিবন্ধিত আন্তর্জাতিক সংস্থা হিসেবে কার্যক্রম পরিচালনা করছে। সংস্থাটি শহরের বস্তি, উপকূলীয় লবণাক্ত এলাকা, হাওর, চর ও দুর্গম অঞ্চলে পানি ও স্যানিটেশন সুবিধা উন্নয়নে দীর্ঘদিন ধরে কাজ করে আসছে

ওয়াটারএইডের দাবি, ২০০৩ সাল থেকে এ পর্যন্ত বাংলাদেশে ৩ কোটি ৩০ লাখের বেশি মানুষকে নিরাপদ পানি, উন্নত স্যানিটেশন ও স্বাস্থ্যবিধি সেবার আওতায় আনা হয়েছে। সংস্থাটি আরও জানিয়েছে, নতুন অনুমোদিত বাজেট তাদের দেশীয় কর্মসূচিকে শক্তিশালী করতে সহায়ক হবে। তাদের এই দাবী নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছে নেটিজেনরা। তাদের কাজগুলো টেকসই হচ্ছে কিনা সেটি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।