নিজস্ব প্রতিবেদক | FollowUpNews
উত্তরা বন্ড কমিশনারেটের সদর দপ্তরে দায়িত্ব পালনকারী সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা (এআরও) আখতারুজ্জামানের বিরুদ্ধে সাংবাদিকদের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণের অভিযোগ উঠেছে। ফলোআপ নিউজের প্রতিনিধি তথ্য ও বক্তব্য সংগ্রহের জন্য কমিশনারেট কার্যালয়ে গেলেও একই ধরনের ঘটনা ঘটে।
অভিযোগ অনুযায়ী, সাংবাদিকদের সঙ্গে কথোপকথনের একপর্যায়ে ওই কর্মকর্তা সব সাংবাদিককে “চাঁদাবাজ” বলে মন্তব্য করেন। এ মন্তব্যের পক্ষে তিনি মোবাইল ফোনে একটি বার্তা দেখান। বার্তাটি পড়ে বোঝা যাচ্ছে এটি একটি উপেক্ষাযোগ্য মানবিক দাবী। তাছাড়া সাংবাদিকরা অস্ত্র এবং দলবল ছাড়া ঠিক কি প্রক্রিয়ায় চাঁদাবাজি করে সে প্রশ্নটিও উঠে আসে বারংবার।

সাংবাদিকদের প্রশ্ন, কোনো ব্যক্তিগত বা মানবিক অনুরোধকে কীভাবে সব সাংবাদিকের বিরুদ্ধে সাধারণীকৃত অভিযোগের প্রমাণ হিসেবে উপস্থাপন করা যায়?
ঘটনার সময় আখতারুজ্জামান নিজের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনার বিষয়টিও অপ্রাসঙ্গিকভাবে আলোচনায় আনেন। তার সিনিয়র কর্মকর্তার সামনে এ ধরনের আচরণের কারণে ফলোআপ নিউজের দৃষ্টিতে সরকারি চাকরির বিধিমালাও লঙ্ঘিত হয়েছে। উল্লেখ্য, এ সময় একই টেবিলে হেডকোয়ার্টার রাজস্ব কর্মকর্তা হিসেবে পরিচিত গাজী মোঃ হোসাইন উপস্থিত ছিলেন।
ফলোআপ নিউজের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে আরও অনুসন্ধান চালানো হচ্ছে। বিভিন্ন সূত্র দাবি করেছে, সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার আচরণ ও দায়িত্ব পালনের ধরন নিয়ে আগে থেকেই অসন্তোষ ও অভিযোগ রয়েছে। তবে এসব অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য পৃথক অনুসন্ধান প্রয়োজন।
এ বিষয়ে উধ্বর্তন কর্মকর্তাদের বক্তব্য নেওয়ার চেষ্টা চলছে— অতিরিক্ত কমিশনার কাঞ্চন রানী দত্তের কাছে মতামত জানতে চাওয়া হয়েছে। বক্তব্য পাওয়া গেলে প্রকাশ করা হবে।
সরকারি দপ্তরে সাংবাদিকদের তথ্য সংগ্রহের অধিকার এবং কর্মকর্তাদের পেশাগত আচরণ নিয়ে প্রশ্ন নতুন নয়। গণমাধ্যমকর্মীরা বলছেন, তথ্য চাইতে গিয়ে যদি সাংবাদিকদের প্রতি অবিশ্বাস, সাধারণীকরণ বা অসম্মানজনক আচরণ, এবং উল্টে প্রশ্নের পর প্রশ্ন করা হয়, তবে তা রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে।
ফলোআপ নিউজ বিষয়টি অনুসরণ করছে।
