দিব্যেন্দু দ্বীপের কবিতা
অনেক কথা জমা আছে, বরফ হয়ে হয়েছে এক হিমালয়। গলবে যদি তুমি উঠতে পারো, পরশ বুলাও, ভুলাও যদি; মুহূর্তে আমরা হব মহাসমুদ্র।
অনেক কথা জমা আছে, বরফ হয়ে হয়েছে এক হিমালয়। গলবে যদি তুমি উঠতে পারো, পরশ বুলাও, ভুলাও যদি; মুহূর্তে আমরা হব মহাসমুদ্র।
জুলিয়ার আভরণে আমার জুলিয়া যখন সিল্ক পরে হেঁটে যায়, শাড়ীর সে মন্থরতায় আমি দেখি নাব্যতা কী মোহময়। এরপর আমি যখন দৃষ্টি সঞ্চরণ করি, দেখি ধাবমান সে কম্পন চারিদিকে বয়ে চলে স্বাধীন, আমাকে বিপন্ন করে অনস্বীকার্য সে শিহরণ! Upon Julia’s Clothes Whenas in silks my Julia goes, Then, then (methinks) how sweetly flows That liquefaction of…
The Sick Rose O Rose thou art sick. The invisible worm, That flies in the night In the howling storm: Has found out thy bed Of crimson joy: And his dark secret love Does thy life destroy. অসুস্থ গোলপটি ও গোলাপ তুমি অসুস্থ। গোপন সে কীট, উড়ে আসে উদভ্রান্ত ঝড়ের রাতে: খুুঁজে পায়…
বদ্ধ বলেশ্বর বড় বিষন্ন বদনে বহিছে – বিদীর্ণ, বীরপূর্ব বলেশ্বর বখেড়া বাইশ, বক্ষে বেগহীন বেকল বজরা বহর। বদ্ধ বারি, বন্ধ বাইচ; বিমরিষ বেশ, বাদাড় বাহারী বর্ষিলে বরিষণ বেজায় বিব্রত বুক, বিবর্ণ বিদারী – বাহিতে বহিত্র বাঞ্ছা বিমুখ, বিষম– বিমুগ্ধ বালক! ব্যথিত বিহ্বল বিষদষ্ট, বালুকা বীচি বেবাক বাধক বাবা বলেছিলেন বসিয়া বারেক,”বাদল বাড়িলে বাঁকে বিকট বানে…
শ্রাবণের ধারার মতো পড়ুক ঝরে, পড়ুক ঝরে তোমারি সুরটি আমার মুখের ‘পরে, বুকের ‘পরে ॥ পুরবের আলোর সাথে পড়ুক প্রাতে দুই নয়ানে– নিশীথের অন্ধকারে গভীর ধারে পড়ুক প্রাণে। নিশিদিন এই জীবনের সুখের ‘পরে দুখের ‘পরে শ্রাবণের ধারার মতো পড়ুক ঝরে, পড়ুক ঝরে। যে শাখায় ফুল ফোটে না, ফল ধরে না একেবারে, তোমার ওই বাদল-বায়ে দিক…
বেশ কিছুদিন ধরে শুভেন্দুর জ্বর আসছে আবার ছেড়ে যাচ্ছে। সিজন চেন্ঞ্জের জন্য? না দীর্ঘদিন রিমোট এলাকায় থাকায়, আবাহাওয়া-পরিবেশ খাপ খাওয়াতে পারেনি সেজন্য? নাহ! ওখানে তো বেশ ছিল, তবে? আজকাল কি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে আসছে? কাশির দমকে খাট নড়ে যাওয়ার জোগাড়। একটু আদা-চা হলে ভালো হতো। কিন্তু কে করবে? উঠে গিয়ে নিজের জন্য চা তৈরী…
মাওয়া ঘাট একটা অদ্ভূত জায়গা, লক্ষ লক্ষ মানুষ প্রতিদিন যাওয়া-আসা করছে এখান দিয়ে, কিন্তু রেস্টুরেন্টগুলো ফাঁকা। খুব বেশি মানুষ খায় না এখানে, এত দাম দিয়ে খাবেই বা কেন? তাছাড়া বাঙ্গালী পথে দাঁড়ায় না, শুধু গন্তব্য খোঁজে, পথই যে মানুষের সর্বপ্রধান গন্তব্য আমরা এটি বুঝতে পারলাম না কোনোদিন। আমি এই শেষ বয়সে এসে একটু উপলব্ধি করতে…
নিস্তব্ধ প্রহর নিজের ছায়ার ভেতর প্রিয় ছায়া খুঁজি প্রহরগুলো আজকাল বড় বেশি শূন্য ; শূন্যতায় ভেজানো নিস্তব্ধ প্রহর গুণে গুণে সবটুকুই যত্ন করে তোমার জন্য তুলে রাখি ! চুঁড়ি ভাঙার শব্দ , খালি বর্তনের টুং-টাং শব্দ পিপাসিত গ্লাসে জল ঢালার শব্দ বাতায়ন পাশে বাতাসের হেঁটে যাওয়ার শব্দ অদ্ভুত কলোলিত হৃদপিণ্ডের স্পন্দন! শুকনো পাতার মত বেজে…